আন্তর্জাতিক
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত রবিবার এই হোল্ডিং সেন্টার চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণার চব্বিশ ঘণ্টা পার না হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এর কার্যক্রম শুরু হয়ে যায় এবং প্রথম দিনেই অন্তত ১২ জন বাংলাদেশিকে আটক করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আর এই কঠোর অবস্থানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ওপার বাংলায় আত্মগোপন করে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে চরম আতঙ্ক। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে দিনমজুরি বা গৃহপরিচারিকার কাজ করে সংসার চালাচ্ছিলেন, তারা এখন আইনি ঝামেলা এড়াতে প্রাণ বাঁচাতে দেশে ফেরার পথ ধরেছেন।
মঙ্গলবার সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপয়েন্টে দেখা গেছে মানুষের দীর্ঘ সারি। যারা দালালদের সহায়তায় কয়েক বছর আগে সীমানা পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন, তারা এখন আর কোনো লুকোচুরি না করেই স্বীকার করছেন তাদের অবৈধ বসবাসের কথা। হাকিমপুর সীমান্তে উপস্থিত এক ব্যক্তি আক্ষেপ করে বলেন, "সরকার আর রাখবে না, কী করব বলুন। আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে তাই নিজ দেশে ফিরে যাওয়াই শ্রেয় মনে করছি।"
মূলত, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাদের কোনো আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ না দিয়ে সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে এবং পরবর্তীতে পুশব্যাক করা হবে। বিজেপি সরকারের এই কড়া অবস্থানের বার্তা পৌঁছানোর পর থেকেই সীমান্তে এই অস্থিরতা বেড়েছে। নির্বাচনের আগে দেওয়া ‘ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট’ প্রক্রিয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে রাজ্য প্রশাসন রাতারাতি হোল্ডিং সেন্টারগুলো কার্যকর করায় সীমান্তের বাসিন্দাদের মধ্যে এখন নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে, এখন যে যার মতো করে সীমান্ত পার হয়ে দেশে ফেরার তোড়জোড় শুরু করেছেন, যা সীমান্তবর্তী এলাকায় এক নতুন পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত রবিবার এই হোল্ডিং সেন্টার চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণার চব্বিশ ঘণ্টা পার না হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এর কার্যক্রম শুরু হয়ে যায় এবং প্রথম দিনেই অন্তত ১২ জন বাংলাদেশিকে আটক করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আর এই কঠোর অবস্থানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ওপার বাংলায় আত্মগোপন করে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে চরম আতঙ্ক। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে দিনমজুরি বা গৃহপরিচারিকার কাজ করে সংসার চালাচ্ছিলেন, তারা এখন আইনি ঝামেলা এড়াতে প্রাণ বাঁচাতে দেশে ফেরার পথ ধরেছেন।
মঙ্গলবার সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপয়েন্টে দেখা গেছে মানুষের দীর্ঘ সারি। যারা দালালদের সহায়তায় কয়েক বছর আগে সীমানা পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন, তারা এখন আর কোনো লুকোচুরি না করেই স্বীকার করছেন তাদের অবৈধ বসবাসের কথা। হাকিমপুর সীমান্তে উপস্থিত এক ব্যক্তি আক্ষেপ করে বলেন, "সরকার আর রাখবে না, কী করব বলুন। আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে তাই নিজ দেশে ফিরে যাওয়াই শ্রেয় মনে করছি।"
মূলত, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাদের কোনো আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ না দিয়ে সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে এবং পরবর্তীতে পুশব্যাক করা হবে। বিজেপি সরকারের এই কড়া অবস্থানের বার্তা পৌঁছানোর পর থেকেই সীমান্তে এই অস্থিরতা বেড়েছে। নির্বাচনের আগে দেওয়া ‘ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট’ প্রক্রিয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে রাজ্য প্রশাসন রাতারাতি হোল্ডিং সেন্টারগুলো কার্যকর করায় সীমান্তের বাসিন্দাদের মধ্যে এখন নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে, এখন যে যার মতো করে সীমান্ত পার হয়ে দেশে ফেরার তোড়জোড় শুরু করেছেন, যা সীমান্তবর্তী এলাকায় এক নতুন পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে।
2.png)