জাতীয়
মরণঘাতী হামের প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত জনস্বাস্থ্য। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছোবলে প্রতিনিয়ত ঝরে যাচ্ছে অগণিত শিশুর প্রাণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গজনিত জটিলতায় আরও ১০টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি নয়জন মারা গেছে সন্দেহভাজন হামে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে দেশজুড়ে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১১৩৬ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি এতটাই দ্রুত যে জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ জনে, আর সন্দেহভাজন হামে প্রাণ হারিয়েছে ৪৬৭ জন শিশু। সব মিলিয়ে এই অল্প সময়ে হাম ও এর উপসর্গজনিত জটিলতায় মোট ৫৫৫টি শিশুর মৃত্যুর ঘটনা স্বাস্থ্য খাতের জন্য এক বড় সতর্কবার্তা হিসেবে সামনে এসেছে।
চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে হামের সংক্রমণ রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিশেষ করে টিকাদান কর্মসূচিতে গাফিলতি কিংবা সচেতনতার অভাবে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিশুদের জ্বর, ফুসকুড়ি বা শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিলেই কালক্ষেপণ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারা দেশে সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বমুখী হার নিয়ন্ত্রণে সরকারি পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। ঘরবন্দি শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং হামের বিস্তার রোধে স্বাস্থ্য বিভাগকে মাঠ পর্যায়ে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী অভিভাবকরা। একইসঙ্গে হামের টিকা প্রদান কর্মসূচিকে আরও জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এখনই কঠোর ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দিচ্ছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
মরণঘাতী হামের প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত জনস্বাস্থ্য। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছোবলে প্রতিনিয়ত ঝরে যাচ্ছে অগণিত শিশুর প্রাণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গজনিত জটিলতায় আরও ১০টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি নয়জন মারা গেছে সন্দেহভাজন হামে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে দেশজুড়ে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১১৩৬ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি এতটাই দ্রুত যে জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ জনে, আর সন্দেহভাজন হামে প্রাণ হারিয়েছে ৪৬৭ জন শিশু। সব মিলিয়ে এই অল্প সময়ে হাম ও এর উপসর্গজনিত জটিলতায় মোট ৫৫৫টি শিশুর মৃত্যুর ঘটনা স্বাস্থ্য খাতের জন্য এক বড় সতর্কবার্তা হিসেবে সামনে এসেছে।
চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে হামের সংক্রমণ রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিশেষ করে টিকাদান কর্মসূচিতে গাফিলতি কিংবা সচেতনতার অভাবে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিশুদের জ্বর, ফুসকুড়ি বা শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিলেই কালক্ষেপণ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারা দেশে সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বমুখী হার নিয়ন্ত্রণে সরকারি পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। ঘরবন্দি শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং হামের বিস্তার রোধে স্বাস্থ্য বিভাগকে মাঠ পর্যায়ে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী অভিভাবকরা। একইসঙ্গে হামের টিকা প্রদান কর্মসূচিকে আরও জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এখনই কঠোর ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দিচ্ছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।
2.png)