ইরান যুদ্ধ
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার অবসান ঘটাতে আলোচনার টেবিলে ইতিবাচক হাওয়া বইলেও এখনই চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে নারাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বরং যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করে প্রতিটি পদক্ষেপ সতর্কতার সঙ্গে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রবিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক বার্তায় ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাহাজের ওপর মার্কিন অবরোধ ততক্ষণই বহাল থাকবে, যতক্ষণ না একটি অকাট্য ও চূড়ান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর সম্পন্ন হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই সতর্কতার পেছনে রয়েছে আলোচনার টেবিলে অমীমাংসিত থাকা একগুচ্ছ জটিল ইস্যু। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, এবং বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা কয়েক হাজার কোটি ডলারের তেলের রাজস্ব পুনরুদ্ধারের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো রয়েছে। এছাড়া লেবাননে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের বর্তমান সংঘাতকেও এই আলোচনার একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর ঠিক একদিন আগেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তির সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনার অগ্রগতির খবর চাউর হয়েছিল। ওই আলোচনার মূল লক্ষ্যই ছিল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া, যে পথ দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও এলএনজির এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই সমঝোতা অনুযায়ী ইরানের জাহাজের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার বদলে ইরান জলপথটি উন্মুক্ত করে দেবে। তবে সেই সমঝোতা কি কেবল একটি অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ নাকি দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ—তা নিয়ে এখন ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ওয়াশিংটন ও তেহরান তাদের বিপরীতমুখী অবস্থান থেকে কতটা নমনীয় হয়ে এই জটিল গোলকধাঁধা থেকে বের হয়ে আসতে পারে।
বিষয় : আন্তর্জাতিক
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার অবসান ঘটাতে আলোচনার টেবিলে ইতিবাচক হাওয়া বইলেও এখনই চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে নারাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বরং যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করে প্রতিটি পদক্ষেপ সতর্কতার সঙ্গে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রবিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক বার্তায় ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাহাজের ওপর মার্কিন অবরোধ ততক্ষণই বহাল থাকবে, যতক্ষণ না একটি অকাট্য ও চূড়ান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর সম্পন্ন হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই সতর্কতার পেছনে রয়েছে আলোচনার টেবিলে অমীমাংসিত থাকা একগুচ্ছ জটিল ইস্যু। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, এবং বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা কয়েক হাজার কোটি ডলারের তেলের রাজস্ব পুনরুদ্ধারের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো রয়েছে। এছাড়া লেবাননে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের বর্তমান সংঘাতকেও এই আলোচনার একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর ঠিক একদিন আগেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তির সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনার অগ্রগতির খবর চাউর হয়েছিল। ওই আলোচনার মূল লক্ষ্যই ছিল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া, যে পথ দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও এলএনজির এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই সমঝোতা অনুযায়ী ইরানের জাহাজের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার বদলে ইরান জলপথটি উন্মুক্ত করে দেবে। তবে সেই সমঝোতা কি কেবল একটি অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ নাকি দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ—তা নিয়ে এখন ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ওয়াশিংটন ও তেহরান তাদের বিপরীতমুখী অবস্থান থেকে কতটা নমনীয় হয়ে এই জটিল গোলকধাঁধা থেকে বের হয়ে আসতে পারে।
2.png)