খেলা
ফুটবল মাঠের গোল পোস্ট কাঁপানো পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আয়ের নেশা যেন কখনোই থামার নয়। বয়স ৪১ ছুঁইছুঁই, তবুও অর্থের ঝনঝনানিতে তিনি এখনো অপরাজেয়। ফোর্বসের সদ্য প্রকাশিত ২০২৬ সালের অ্যাথলেটদের আয়ের তালিকায় আবারও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন এই মহাতারকা। দীর্ঘ এক দশকে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে জুভেন্টাস, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড হয়ে বর্তমানে আল নাসরে—ক্লাব বদলালেও রোনালদোর আয়ের ধারায় পড়েনি কোনো ভাটা।
গত এক বছরে রোনালদোর ঘরে এসেছে প্রায় ৩০ কোটি ডলার বা ৩৬৮৩ কোটি টাকারও বেশি অর্থ। যার একটি বড় অংশ এসেছে সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের সঙ্গে তাঁর আকাশচুম্বী চুক্তির কল্যাণে। মাঠের বাইরে বিজ্ঞাপন, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচারণা আর স্মারক ব্যবসার মাধ্যমেও তিনি যোগ করেছেন ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এই বিপুল আয় তাঁকে শুধু তালিকার শীর্ষে বসায়নি, একই সাথে মুষ্টিযোদ্ধা ফ্লয়েড মেওয়েদারের ২০১৫ সালের গড়া রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলার অনন্য এক ইতিহাসও তৈরি করেছে। ফোর্বসের ইতিহাসে রোনালদো এখন বাস্কেটবল কিংবদন্তি মাইকেল জর্ডানের পাশে দাঁড়িয়েছেন, যদিও তালিকার শীর্ষস্থানে রেকর্ড ১১ বার নাম লিখিয়ে সবার উপরে রয়েছেন টাইগার উডস।
ফোর্বসের এবারের তালিকার পরের দিকে তাকালে দেখা যায়, মেক্সিকান মুষ্টিযোদ্ধা ক্যানেলো আলভারেজ ১৭ কোটি ডলার আয় করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। তালিকার তিন নম্বরে আছেন ইন্টার মায়ামির লিওনেল মেসি, যার বার্ষিক আয় ১৪ কোটি ডলার। এবারের তালিকায় বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের দাপট থাকলেও ফুটবলারদের মধ্যে মেসি ও রোনালদোর পাশাপাশি করিম বেনজেমার নামই বিশেষ গুরুত্বের সাথে উঠে এসেছে।
গত কয়েক বছরে বিশ্বজুড়ে শীর্ষ অ্যাথলেটদের আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা খেলার জগতের নতুন সমীকরণ সামনে এনেছে। যদিও এবার শীর্ষ ৫০ অ্যাথলেটের সম্মিলিত আয়ের গতিপথে সামান্য কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে, তবুও অর্থের এই বিপুল প্রবাহ প্রমাণ করে খেলার মাঠ এখন আর কেবল প্রতিযোগিতার জায়গা নয়, বরং বিশাল এক বৈশ্বিক বাণিজ্য। ফোর্বসের দেওয়া তথ্যমতে, মুদ্রাস্ফীতির হিসাব বাদ দিলে অ্যাথলেটদের আয়ের তালিকায় এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অর্জনের বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ফুটবল মাঠের গোল পোস্ট কাঁপানো পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আয়ের নেশা যেন কখনোই থামার নয়। বয়স ৪১ ছুঁইছুঁই, তবুও অর্থের ঝনঝনানিতে তিনি এখনো অপরাজেয়। ফোর্বসের সদ্য প্রকাশিত ২০২৬ সালের অ্যাথলেটদের আয়ের তালিকায় আবারও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন এই মহাতারকা। দীর্ঘ এক দশকে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে জুভেন্টাস, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড হয়ে বর্তমানে আল নাসরে—ক্লাব বদলালেও রোনালদোর আয়ের ধারায় পড়েনি কোনো ভাটা।
গত এক বছরে রোনালদোর ঘরে এসেছে প্রায় ৩০ কোটি ডলার বা ৩৬৮৩ কোটি টাকারও বেশি অর্থ। যার একটি বড় অংশ এসেছে সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের সঙ্গে তাঁর আকাশচুম্বী চুক্তির কল্যাণে। মাঠের বাইরে বিজ্ঞাপন, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচারণা আর স্মারক ব্যবসার মাধ্যমেও তিনি যোগ করেছেন ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এই বিপুল আয় তাঁকে শুধু তালিকার শীর্ষে বসায়নি, একই সাথে মুষ্টিযোদ্ধা ফ্লয়েড মেওয়েদারের ২০১৫ সালের গড়া রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলার অনন্য এক ইতিহাসও তৈরি করেছে। ফোর্বসের ইতিহাসে রোনালদো এখন বাস্কেটবল কিংবদন্তি মাইকেল জর্ডানের পাশে দাঁড়িয়েছেন, যদিও তালিকার শীর্ষস্থানে রেকর্ড ১১ বার নাম লিখিয়ে সবার উপরে রয়েছেন টাইগার উডস।
ফোর্বসের এবারের তালিকার পরের দিকে তাকালে দেখা যায়, মেক্সিকান মুষ্টিযোদ্ধা ক্যানেলো আলভারেজ ১৭ কোটি ডলার আয় করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। তালিকার তিন নম্বরে আছেন ইন্টার মায়ামির লিওনেল মেসি, যার বার্ষিক আয় ১৪ কোটি ডলার। এবারের তালিকায় বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের দাপট থাকলেও ফুটবলারদের মধ্যে মেসি ও রোনালদোর পাশাপাশি করিম বেনজেমার নামই বিশেষ গুরুত্বের সাথে উঠে এসেছে।
গত কয়েক বছরে বিশ্বজুড়ে শীর্ষ অ্যাথলেটদের আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা খেলার জগতের নতুন সমীকরণ সামনে এনেছে। যদিও এবার শীর্ষ ৫০ অ্যাথলেটের সম্মিলিত আয়ের গতিপথে সামান্য কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে, তবুও অর্থের এই বিপুল প্রবাহ প্রমাণ করে খেলার মাঠ এখন আর কেবল প্রতিযোগিতার জায়গা নয়, বরং বিশাল এক বৈশ্বিক বাণিজ্য। ফোর্বসের দেওয়া তথ্যমতে, মুদ্রাস্ফীতির হিসাব বাদ দিলে অ্যাথলেটদের আয়ের তালিকায় এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অর্জনের বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
2.png)