আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক (ডিএনআই) পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তুলসী গ্যাবার্ড। শুক্রবার এই সিদ্ধান্ত জানানোর পর থেকেই মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। আগামী ৩০ জুন থেকে তিনি এই শীর্ষ গোয়েন্দা দায়িত্ব থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি নেবেন।
পদত্যাগের কারণ হিসেবে নিজের পরিবারের কঠিন সময়ের কথা সামনে এনেছেন গ্যাবার্ড। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পাঠানো চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী আব্রাহামের শরীরে অতি বিরল ধরনের হাড়ের ক্যানসার ধরা পড়েছে। এই সংকটময় মুহূর্তে স্বামীর পাশে থাকা এবং তার এই দীর্ঘ লড়াইয়ে পূর্ণ সমর্থন দেওয়া ছাড়া তাঁর কাছে আর কোনো বিকল্প নেই।
তবে বিষয়টি কেবল ব্যক্তিগত সংকটের আড়ালে সীমাবদ্ধ নেই। হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের দাবি, তুলসী গ্যাবার্ডের এই প্রস্থান পুরোপুরি স্বেচ্ছায় নয়; বরং তাকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, গত মার্চ মাসে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে গ্যাবার্ডের যে প্রকাশ্য মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল, সেটিই এই সিদ্ধান্তের পেছনে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। সে সময় ট্রাম্প সরাসরি মন্তব্য করেছিলেন যে, ইরান ইস্যুতে গ্যাবার্ড তার তুলনায় কিছুটা ‘নমনীয়’।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ভয়াবহ হামলার পর মার্কিন কংগ্রেস জাতীয় নিরাপত্তার সর্বোচ্চ খাতিরে ডিএনআই পদটি সৃষ্টি করে। মার্কিন প্রশাসনের অন্যতম সংবেদনশীল এই পদে গত বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তুলসী গ্যাবার্ডকে মনোনীত করা হয়েছিল। এখন ব্যক্তিগত কারণ আর রাজনৈতিক টানাপোড়েনের এই সন্ধিক্ষণে তার উত্তরসূরি কে হতে যাচ্ছেন, সেদিকেই নজর সবার।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক (ডিএনআই) পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তুলসী গ্যাবার্ড। শুক্রবার এই সিদ্ধান্ত জানানোর পর থেকেই মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। আগামী ৩০ জুন থেকে তিনি এই শীর্ষ গোয়েন্দা দায়িত্ব থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি নেবেন।
পদত্যাগের কারণ হিসেবে নিজের পরিবারের কঠিন সময়ের কথা সামনে এনেছেন গ্যাবার্ড। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পাঠানো চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী আব্রাহামের শরীরে অতি বিরল ধরনের হাড়ের ক্যানসার ধরা পড়েছে। এই সংকটময় মুহূর্তে স্বামীর পাশে থাকা এবং তার এই দীর্ঘ লড়াইয়ে পূর্ণ সমর্থন দেওয়া ছাড়া তাঁর কাছে আর কোনো বিকল্প নেই।
তবে বিষয়টি কেবল ব্যক্তিগত সংকটের আড়ালে সীমাবদ্ধ নেই। হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের দাবি, তুলসী গ্যাবার্ডের এই প্রস্থান পুরোপুরি স্বেচ্ছায় নয়; বরং তাকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, গত মার্চ মাসে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে গ্যাবার্ডের যে প্রকাশ্য মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল, সেটিই এই সিদ্ধান্তের পেছনে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। সে সময় ট্রাম্প সরাসরি মন্তব্য করেছিলেন যে, ইরান ইস্যুতে গ্যাবার্ড তার তুলনায় কিছুটা ‘নমনীয়’।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ভয়াবহ হামলার পর মার্কিন কংগ্রেস জাতীয় নিরাপত্তার সর্বোচ্চ খাতিরে ডিএনআই পদটি সৃষ্টি করে। মার্কিন প্রশাসনের অন্যতম সংবেদনশীল এই পদে গত বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তুলসী গ্যাবার্ডকে মনোনীত করা হয়েছিল। এখন ব্যক্তিগত কারণ আর রাজনৈতিক টানাপোড়েনের এই সন্ধিক্ষণে তার উত্তরসূরি কে হতে যাচ্ছেন, সেদিকেই নজর সবার।
2.png)