সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 জাতীয়জাতীয়

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসন: বাণিজ্য চুক্তি দুই দেশের সমৃদ্ধির যৌথ বিনিয়োগ

ওয়াশিংটন-ঢাকা বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন দিগন্ত; শুল্ক সুবিধা বজায় রাখা ও জ্বালানি খাতে কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসন: বাণিজ্য চুক্তি দুই দেশের সমৃদ্ধির যৌথ বিনিয়োগ
ছবি -সংগৃহীত

বাণিজ্য চুক্তি কেবল ব্যবসায়িক লেনদেন নয়, বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সমৃদ্ধির জন্য একটি বড় যৌথ বিনিয়োগ—এমনটিই মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন। বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড’ বা ‘এআরটি’ (ART) চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, আধুনিক ও ভারসাম্যপূর্ণ এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের এক নতুন দুয়ার খুলে দেবে। তিনি জানান, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক ১৯ শতাংশ শুল্ক সুবিধা বজায় রাখতে পারবে। চুক্তি না থাকলে এই শুল্কের হার ৩৭ শতাংশে গিয়ে ঠেকত। ফলে এটি বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য একটি বড় স্বস্তির সুযোগ।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের আধুনিকায়নে বোয়িংয়ের সাথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাম্প্রতিক চুক্তি কেবল উড়োজাহাজ সরবরাহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের পাইলট, প্রকৌশলী ও ব্যবস্থাপকদের দক্ষতা উন্নয়নেও সমানভাবে ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া জ্বালানি খাতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত নতুন সমঝোতা স্মারকটি কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি প্রকল্পের পথ প্রশস্ত করবে। এটি বাংলাদেশের শিল্পোন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যকরণে যুক্তরাষ্ট্রকে এক নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে আরও শক্তিশালী করবে।

রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যে ফুটে ওঠে—বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক এখন কেবল আমদানিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন ও সহযোগিতার এক সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

বিষয় : বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র বানিজ্য চুক্তি বানিজ্য চুক্তি

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসন: বাণিজ্য চুক্তি দুই দেশের সমৃদ্ধির যৌথ বিনিয়োগ
0:00 0:00
1.0x
কাল মহাকাল

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসন: বাণিজ্য চুক্তি দুই দেশের সমৃদ্ধির যৌথ বিনিয়োগ

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

বাণিজ্য চুক্তি কেবল ব্যবসায়িক লেনদেন নয়, বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সমৃদ্ধির জন্য একটি বড় যৌথ বিনিয়োগ—এমনটিই মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন। বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড’ বা ‘এআরটি’ (ART) চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, আধুনিক ও ভারসাম্যপূর্ণ এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের এক নতুন দুয়ার খুলে দেবে। তিনি জানান, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক ১৯ শতাংশ শুল্ক সুবিধা বজায় রাখতে পারবে। চুক্তি না থাকলে এই শুল্কের হার ৩৭ শতাংশে গিয়ে ঠেকত। ফলে এটি বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য একটি বড় স্বস্তির সুযোগ।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের আধুনিকায়নে বোয়িংয়ের সাথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাম্প্রতিক চুক্তি কেবল উড়োজাহাজ সরবরাহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের পাইলট, প্রকৌশলী ও ব্যবস্থাপকদের দক্ষতা উন্নয়নেও সমানভাবে ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া জ্বালানি খাতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত নতুন সমঝোতা স্মারকটি কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি প্রকল্পের পথ প্রশস্ত করবে। এটি বাংলাদেশের শিল্পোন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যকরণে যুক্তরাষ্ট্রকে এক নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে আরও শক্তিশালী করবে।

রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যে ফুটে ওঠে—বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক এখন কেবল আমদানিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন ও সহযোগিতার এক সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।



কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত