ইরান যুদ্ধ
ইরানি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ-র তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে কূটনৈতিক আলোচনা ও পরামর্শ প্রক্রিয়া চলছে, তাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে পাকিস্তান। সেই নাজুক পরিস্থিতি সামাল দিতেই জেনারেল মুনিরের এই গুরুত্বপূর্ণ সফর। এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে এটি পাকিস্তানের কোনো শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার দ্বিতীয় তেহরান সফর, যা ইঙ্গিত দেয় যে পর্দার আড়ালে বড় কোনো সমঝোতার চেষ্টা চলছে।
এর আগে গত বুধবার পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি তেহরানে পৌঁছান। টানা এক সপ্তাহের মধ্যে তার এই দ্বিতীয় সফর প্রমাণ করে যে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বর্তমান যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী রূপ দিতে ইসলামাবাদ কতটা মরিয়া। গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তান উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে একটি কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। দুই পরাশক্তির এই টানাপোড়েনের মাঝে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারবে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও জেনারেল মুনিরের সফরকে দেখা হচ্ছে ‘শাটল ডিপ্লোমেসি’ বা উচ্চ পর্যায়ের দৌড়ঝাঁপ হিসেবে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এহেন বাস্তবতায় পাকিস্তানের এই মধ্যস্থতার উদ্যোগ কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
ইরানি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ-র তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে কূটনৈতিক আলোচনা ও পরামর্শ প্রক্রিয়া চলছে, তাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে পাকিস্তান। সেই নাজুক পরিস্থিতি সামাল দিতেই জেনারেল মুনিরের এই গুরুত্বপূর্ণ সফর। এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে এটি পাকিস্তানের কোনো শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার দ্বিতীয় তেহরান সফর, যা ইঙ্গিত দেয় যে পর্দার আড়ালে বড় কোনো সমঝোতার চেষ্টা চলছে।
এর আগে গত বুধবার পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি তেহরানে পৌঁছান। টানা এক সপ্তাহের মধ্যে তার এই দ্বিতীয় সফর প্রমাণ করে যে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বর্তমান যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী রূপ দিতে ইসলামাবাদ কতটা মরিয়া। গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তান উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে একটি কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। দুই পরাশক্তির এই টানাপোড়েনের মাঝে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারবে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও জেনারেল মুনিরের সফরকে দেখা হচ্ছে ‘শাটল ডিপ্লোমেসি’ বা উচ্চ পর্যায়ের দৌড়ঝাঁপ হিসেবে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এহেন বাস্তবতায় পাকিস্তানের এই মধ্যস্থতার উদ্যোগ কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।
2.png)