জাতীয়
বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী এই নৃশংস ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়া যাতে কোনোভাবেই বিলম্বিত না হয়, সেজন্য আইনমন্ত্রী নিজেই তদারকি করছেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা (৩৪) বুধবার ঢাকার আদালতে নিজের অপরাধের বিস্তারিত স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে তিনি স্বীকার করেছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে শিশুটির মৃতদেহ খণ্ডবিখণ্ড করার মতো বিকৃত ও বীভৎস উপায় অবলম্বন করেছিলেন তিনি। জবানবন্দি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। এই ঘটনায় অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে। পল্লবীর একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মর্মান্তিক এই ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ঘটনার পরপরই মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা জানালার গ্রিল ভেঙে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ দ্রুত তৎপরতা চালিয়ে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনাস্থল থেকেই তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আটক করা হয়েছিল।
নিহত শিশুর বাবা মঙ্গলবার রাতে পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, তার সন্তানকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের পর এখন দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার দাবি উঠেছে সর্বস্তরে। আইনমন্ত্রীর এই কঠোর নির্দেশনার ফলে মামলার তদন্ত ও বিচারকাজ ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
2.png)
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী এই নৃশংস ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়া যাতে কোনোভাবেই বিলম্বিত না হয়, সেজন্য আইনমন্ত্রী নিজেই তদারকি করছেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা (৩৪) বুধবার ঢাকার আদালতে নিজের অপরাধের বিস্তারিত স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে তিনি স্বীকার করেছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে শিশুটির মৃতদেহ খণ্ডবিখণ্ড করার মতো বিকৃত ও বীভৎস উপায় অবলম্বন করেছিলেন তিনি। জবানবন্দি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। এই ঘটনায় অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে। পল্লবীর একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মর্মান্তিক এই ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ঘটনার পরপরই মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা জানালার গ্রিল ভেঙে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ দ্রুত তৎপরতা চালিয়ে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনাস্থল থেকেই তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আটক করা হয়েছিল।
নিহত শিশুর বাবা মঙ্গলবার রাতে পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, তার সন্তানকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের পর এখন দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার দাবি উঠেছে সর্বস্তরে। আইনমন্ত্রীর এই কঠোর নির্দেশনার ফলে মামলার তদন্ত ও বিচারকাজ ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
2.png)