আন্তর্জাতিক
দীর্ঘদিনের বাণিজ্য যুদ্ধ প্রশমনের পথে এটি বড় এক কূটনৈতিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই চুক্তির আওতায় কেবল বিমান নয়, বরং বিমান ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ ও উপাদানের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের গ্যারান্টি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর এমন বাণিজ্যিক উষ্ণতা বিশ্ববাজারে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। শুধু বিমান ক্রয়ই নয়, উভয় দেশ গত অক্টোবরে হওয়া শুল্ক যুদ্ধ বিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়েও একমত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর বিষয়েও উভয় দেশের মধ্যে জোর আলোচনা চলছে।
সফর শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ উচ্ছ্বাসের সঙ্গেই জানালেন, চীনের সঙ্গে ‘দুর্দান্ত’ সব বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ২০০টি বিমানের এই অর্ডার কেবল শুরু। ভবিষ্যতে আরও ৭৫০টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি মিলেছে, যা এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ বিমান ক্রয়াদেশ হতে যাচ্ছে।
এই সফরে ট্রাম্পের প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাণিজ্য ও প্রযুক্তি খাতের বড় বড় ব্যক্তিত্ব। বোয়িং-এর প্রধান নির্বাহী কেলি ওর্টবার্গ ছাড়াও সঙ্গে ছিলেন টেসলা প্রধান ইলন মাস্ক এবং এআই চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং। বোয়িং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের জন্য চীনের বাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়াটা একটি বড় সাফল্য।
উল্লেখ্য, এই সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল গত বছরের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে কুয়ালালামপুরের একটি চুক্তির মাধ্যমে। সেই সমঝোতার ফলে শুল্ক যুদ্ধ বিরতির মেয়াদ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল এবং চীনা পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক হ্রাসের বিপরীতে বেইজিং বিরল খনিজ ও চুম্বক রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আজকের এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
দীর্ঘদিনের বাণিজ্য যুদ্ধ প্রশমনের পথে এটি বড় এক কূটনৈতিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই চুক্তির আওতায় কেবল বিমান নয়, বরং বিমান ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ ও উপাদানের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের গ্যারান্টি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর এমন বাণিজ্যিক উষ্ণতা বিশ্ববাজারে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। শুধু বিমান ক্রয়ই নয়, উভয় দেশ গত অক্টোবরে হওয়া শুল্ক যুদ্ধ বিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়েও একমত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর বিষয়েও উভয় দেশের মধ্যে জোর আলোচনা চলছে।
সফর শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ উচ্ছ্বাসের সঙ্গেই জানালেন, চীনের সঙ্গে ‘দুর্দান্ত’ সব বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ২০০টি বিমানের এই অর্ডার কেবল শুরু। ভবিষ্যতে আরও ৭৫০টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি মিলেছে, যা এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ বিমান ক্রয়াদেশ হতে যাচ্ছে।
এই সফরে ট্রাম্পের প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাণিজ্য ও প্রযুক্তি খাতের বড় বড় ব্যক্তিত্ব। বোয়িং-এর প্রধান নির্বাহী কেলি ওর্টবার্গ ছাড়াও সঙ্গে ছিলেন টেসলা প্রধান ইলন মাস্ক এবং এআই চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং। বোয়িং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের জন্য চীনের বাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়াটা একটি বড় সাফল্য।
উল্লেখ্য, এই সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল গত বছরের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে কুয়ালালামপুরের একটি চুক্তির মাধ্যমে। সেই সমঝোতার ফলে শুল্ক যুদ্ধ বিরতির মেয়াদ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল এবং চীনা পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক হ্রাসের বিপরীতে বেইজিং বিরল খনিজ ও চুম্বক রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আজকের এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
2.png)