খেলা
বাংলাদেশ পাকিস্তান ২য় টেস্টের শেষ সকালে পাকিস্তানের জয়ের সমীকরণ ছিল ১২১ রান, বিপরীতে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩ উইকেট। শঙ্কা ছিল, হয়তো পাকিস্তান রেকর্ড গড়ে ফেলবে। কিন্তু নাহিদ রানা, তাসকিন ও তাইজুলদের দুর্দান্ত বোলিং তোপে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেনি শান মাসুদের দল। মাত্র ১২ বলের ব্যবধানে শেষ ৩ উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। এই জয় কেবল সিরিজেরই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে রইল।
টেস্ট ক্রিকেটের লম্বা যাত্রায় বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ৮৩টি সিরিজ খেলেছে। এর আগে কখনোই কোনো প্রতিপক্ষকে একাধিক সিরিজের মুখোমুখি হয়ে দুবার হোয়াইটওয়াশ করার নজির ছিল না টাইগারদের। এমনকি প্রিয় প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও এই কীর্তি অধরা ছিল। সেই ইতিহাসের সাক্ষী হওয়ার জন্য পাকিস্তানকেই বেছে নিল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডির সেই জাদুকরী হোয়াইটওয়াশের পর ২০২৬ সালের মিরপুর সিরিজেও পাকিস্তানকে একইভাবে ধবলধোলাই করে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করল নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
অথচ পঞ্চম দিনের শুরুর ৯ ওভারের পরিস্থিতি ছিল বেশ উদ্বেগজনক। উইকেটে থিতু হয়ে গিয়েছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, তাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন সাজিদ খান। বাংলাদেশের বোলারদের শুরুর এক ঘণ্টার বোলিংয়ে কোনো ধার ছিল না, যেন কিছুটা রক্ষণাত্মক। এই সুযোগে সাজিদ খান নাহিদ রানার একটি বাউন্সার পুল করতে গিয়ে আকাশে বল তুলে দিয়েছিলেন, তবে লিটন দাস ও তাইজুল ইসলামের সমন্বয়ের অভাবে বলটি কোনো ফিল্ডারের হাতে না পড়ে ‘নো ম্যান্স ল্যান্ডে’ গিয়ে পড়ে। সেই মুহূর্তটি পাকিস্তান শিবিরের জন্য ছিল স্বস্তির, আর বাংলাদেশ ভক্তদের জন্য ছিল চরম দুশ্চিন্তার।
তবে সেই আক্ষেপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। নাহিদ রানা এবং অন্য বোলাররা দ্রুতই নিজেদের ছন্দ খুঁজে পান। নাহিদ রানা ও তাসকিনের বিধ্বংসী বোলিং তোপে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানেই শেষ ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ১২ বলে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয় বাংলাদেশ। মাঠে তখন বাঁধনহারা উৎসব, গ্যালারিজুড়ে জয়ের ধ্বনি—সব মিলিয়ে আজ কেবল ক্রিকেট নয়, রচিত হলো এক নতুন মহাকাব্য।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
বাংলাদেশ পাকিস্তান ২য় টেস্টের শেষ সকালে পাকিস্তানের জয়ের সমীকরণ ছিল ১২১ রান, বিপরীতে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩ উইকেট। শঙ্কা ছিল, হয়তো পাকিস্তান রেকর্ড গড়ে ফেলবে। কিন্তু নাহিদ রানা, তাসকিন ও তাইজুলদের দুর্দান্ত বোলিং তোপে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেনি শান মাসুদের দল। মাত্র ১২ বলের ব্যবধানে শেষ ৩ উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। এই জয় কেবল সিরিজেরই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে রইল।
টেস্ট ক্রিকেটের লম্বা যাত্রায় বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ৮৩টি সিরিজ খেলেছে। এর আগে কখনোই কোনো প্রতিপক্ষকে একাধিক সিরিজের মুখোমুখি হয়ে দুবার হোয়াইটওয়াশ করার নজির ছিল না টাইগারদের। এমনকি প্রিয় প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও এই কীর্তি অধরা ছিল। সেই ইতিহাসের সাক্ষী হওয়ার জন্য পাকিস্তানকেই বেছে নিল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডির সেই জাদুকরী হোয়াইটওয়াশের পর ২০২৬ সালের মিরপুর সিরিজেও পাকিস্তানকে একইভাবে ধবলধোলাই করে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করল নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
অথচ পঞ্চম দিনের শুরুর ৯ ওভারের পরিস্থিতি ছিল বেশ উদ্বেগজনক। উইকেটে থিতু হয়ে গিয়েছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, তাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন সাজিদ খান। বাংলাদেশের বোলারদের শুরুর এক ঘণ্টার বোলিংয়ে কোনো ধার ছিল না, যেন কিছুটা রক্ষণাত্মক। এই সুযোগে সাজিদ খান নাহিদ রানার একটি বাউন্সার পুল করতে গিয়ে আকাশে বল তুলে দিয়েছিলেন, তবে লিটন দাস ও তাইজুল ইসলামের সমন্বয়ের অভাবে বলটি কোনো ফিল্ডারের হাতে না পড়ে ‘নো ম্যান্স ল্যান্ডে’ গিয়ে পড়ে। সেই মুহূর্তটি পাকিস্তান শিবিরের জন্য ছিল স্বস্তির, আর বাংলাদেশ ভক্তদের জন্য ছিল চরম দুশ্চিন্তার।
তবে সেই আক্ষেপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। নাহিদ রানা এবং অন্য বোলাররা দ্রুতই নিজেদের ছন্দ খুঁজে পান। নাহিদ রানা ও তাসকিনের বিধ্বংসী বোলিং তোপে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানেই শেষ ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ১২ বলে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয় বাংলাদেশ। মাঠে তখন বাঁধনহারা উৎসব, গ্যালারিজুড়ে জয়ের ধ্বনি—সব মিলিয়ে আজ কেবল ক্রিকেট নয়, রচিত হলো এক নতুন মহাকাব্য।
2.png)