আন্তর্জাতিক
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে এবার সরাসরি বিএসএফ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ বুধবার বিকেলে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র নবান্নে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই সীমান্ত এলাকার জমি হস্তান্তরের জন্য বিএসএফকে ৪৫ দিনের যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এবার সরাসরি মাঠে নেমেছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় ঠাসা। সকালে উত্তরবঙ্গে প্রশাসনিক ভবন উত্তরকন্যায় স্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সেরে বিকেলেই নবান্নে বিএসএফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তিনি। বৈঠকে বিএসএফের ডিজি ছাড়াও উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। মূলত দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা কাটানোই এই আলোচনার মূল এজেন্ডা। বিএসএফের প্রায় ৫০০টিরও বেশি আটকে থাকা প্রকল্পের জট খোলার বিষয়েও এদিন কড়া বার্তা দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।
সীমান্তের নিরাপত্তা ও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বরাবরই কঠোর অবস্থানে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের ২২১৬ কিলোমিটার সীমান্তের বড় একটি অংশে বেড়া দেওয়া সম্ভব হলেও প্রায় ৪৫৬ কিলোমিটার এলাকায় জমি জট এখনও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও এর আগে ৭৭ কিলোমিটার জমি বিএসএফের হাতে এসেছে, তবুও বাকি অংশে স্থবিরতা কাটানোই এখন রাজ্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে কোথায় জটিলতা রয়েছে এবং কীভাবে তা দ্রুত সমাধান করা যায়—এই বিষয়গুলোই আজকের বৈঠকে প্রধান গুরুত্ব পাবে। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে সীমান্ত সুরক্ষা ও রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের কর্মকর্তারা।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে এবার সরাসরি বিএসএফ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ বুধবার বিকেলে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র নবান্নে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই সীমান্ত এলাকার জমি হস্তান্তরের জন্য বিএসএফকে ৪৫ দিনের যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এবার সরাসরি মাঠে নেমেছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় ঠাসা। সকালে উত্তরবঙ্গে প্রশাসনিক ভবন উত্তরকন্যায় স্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সেরে বিকেলেই নবান্নে বিএসএফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তিনি। বৈঠকে বিএসএফের ডিজি ছাড়াও উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। মূলত দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা কাটানোই এই আলোচনার মূল এজেন্ডা। বিএসএফের প্রায় ৫০০টিরও বেশি আটকে থাকা প্রকল্পের জট খোলার বিষয়েও এদিন কড়া বার্তা দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।
সীমান্তের নিরাপত্তা ও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বরাবরই কঠোর অবস্থানে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের ২২১৬ কিলোমিটার সীমান্তের বড় একটি অংশে বেড়া দেওয়া সম্ভব হলেও প্রায় ৪৫৬ কিলোমিটার এলাকায় জমি জট এখনও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও এর আগে ৭৭ কিলোমিটার জমি বিএসএফের হাতে এসেছে, তবুও বাকি অংশে স্থবিরতা কাটানোই এখন রাজ্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে কোথায় জটিলতা রয়েছে এবং কীভাবে তা দ্রুত সমাধান করা যায়—এই বিষয়গুলোই আজকের বৈঠকে প্রধান গুরুত্ব পাবে। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে সীমান্ত সুরক্ষা ও রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের কর্মকর্তারা।
2.png)