জাতীয়
আইন ও বিচার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে চূড়ান্তভাবে বিলুপ্ত হলো সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মোট ১৫ জন জুডিশিয়াল সার্ভিস কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হলো।
প্রজ্ঞাপনটি ১৯ মে তারিখে জারি করা হলেও এর কার্যকারিতা দেখানো হয়েছে গত ১০ এপ্রিল থেকে। এর ঠিক আগের দিন, ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশটি বাতিল করা হয়েছিল। সেই আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় এখন সচিবালয়ের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া হলো। পৃথক এক আদেশে আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগদানপত্রও ১০ এপ্রিল থেকে ভূতাপেক্ষভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর সাবেক প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন করেছিলেন। তখন এটি বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতার বড় মাইলফলক হিসেবে আলোচিত হয়েছিল। তবে নতুন সরকারের আমলে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় অধ্যাদেশ বাতিলের মধ্য দিয়ে সেই সচিবালয়ের অধ্যায়টি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হলো। আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত হওয়া কর্মকর্তাদের পরবর্তী উপযুক্ত পদে পদায়নের আগ পর্যন্ত এই প্রেষণে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
আইন ও বিচার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে চূড়ান্তভাবে বিলুপ্ত হলো সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মোট ১৫ জন জুডিশিয়াল সার্ভিস কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হলো।
প্রজ্ঞাপনটি ১৯ মে তারিখে জারি করা হলেও এর কার্যকারিতা দেখানো হয়েছে গত ১০ এপ্রিল থেকে। এর ঠিক আগের দিন, ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশটি বাতিল করা হয়েছিল। সেই আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় এখন সচিবালয়ের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া হলো। পৃথক এক আদেশে আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগদানপত্রও ১০ এপ্রিল থেকে ভূতাপেক্ষভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর সাবেক প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন করেছিলেন। তখন এটি বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতার বড় মাইলফলক হিসেবে আলোচিত হয়েছিল। তবে নতুন সরকারের আমলে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় অধ্যাদেশ বাতিলের মধ্য দিয়ে সেই সচিবালয়ের অধ্যায়টি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হলো। আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত হওয়া কর্মকর্তাদের পরবর্তী উপযুক্ত পদে পদায়নের আগ পর্যন্ত এই প্রেষণে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
2.png)