সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 জাতীয়জাতীয়

শেখ হাসিনার প্রতি “ইনসাফ” রাখা হবে: জাহেদ উর রহমান

সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে সরকারের তিন মাসের অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বললেন—শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে কোনো বেআইনি শাস্তি দেওয়া হবে না; বিচারিক প্রক্রিয়া কার্যকর হলে ফল মেনে নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনার প্রতি “ইনসাফ” রাখা হবে: জাহেদ উর রহমান
ছবি -সংগৃহীত

সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান কাউন্সিলরদের সামনে সরাসরি জানালেন—ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও ক্ষমতাচ্যুত পর্বে গঠিত নতুন বাংলাদেশ বদলে দেওয়া নীতির মূল সূচক হবে ন্যায়বিচার। সেই ন্যায়বিচারে কেউই আস্থাহীনভাবে অতিরিক্ত ক্ষমতায় শাস্তি ভোগ করবেন না, এবং তার মধ্যে পড়বেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।

জাহেদ বলেন, জনআন্দোলনের আভাসেই পূর্ববর্তী শাসনকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল। তাঁদের দাবি ছিল—যারা ইনসাফ করেননি, তাদের বিষয়েই মূল্যায়ন হবে। “পরবর্তী যে বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে, সেটার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ইনসাফ,”—ঐ বক্তব্যে পুনরাবৃত্তি করেন তিনি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যদি শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন, তাঁকে কোন এক্সট্রা-জুডিশিয়াল শাস্তি দেওয়া হবে না।

একই সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সরকারের তিন মাসের অগ্রগতি তুলে ধরেন। পরে প্রশ্নোত্তরে জাহেদ বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন—শেখ হাসিনার বিচার চলমান; যদি প্রয়োজনে পুনর্বিচারের সুযোগ আসে, তা প্রদান হবে। “ওনার বিচার হয়েছে, ওনাকে ডিফেন্ড করতে আবার সুযোগ  দেওয়া হবে। তাতে তাঁর মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে যদি তিনি মুক্তি পান, টেকনিক্যালি বলছি, সেটা আমরা মানব; আর যদি না হয়, সেটা কার্যকর হবে—এটাই হচ্ছে ইনসাফ,” তিনি বলেন। তাঁর ভাষায়, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাও ন্যায়বিচারের অংশ হয়ে থাকতে পারে, যদি সেটি প্রক্রিয়াগতভাবে সুষ্ঠু হয়।

বিষয় : ড জাহেদ উপদেষ্টা হাসিনার সাথে ইনসাফ

শেখ হাসিনার প্রতি “ইনসাফ” রাখা হবে: জাহেদ উর রহমান
0:00 0:00
1.0x
কাল মহাকাল

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


শেখ হাসিনার প্রতি “ইনসাফ” রাখা হবে: জাহেদ উর রহমান

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান কাউন্সিলরদের সামনে সরাসরি জানালেন—ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও ক্ষমতাচ্যুত পর্বে গঠিত নতুন বাংলাদেশ বদলে দেওয়া নীতির মূল সূচক হবে ন্যায়বিচার। সেই ন্যায়বিচারে কেউই আস্থাহীনভাবে অতিরিক্ত ক্ষমতায় শাস্তি ভোগ করবেন না, এবং তার মধ্যে পড়বেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।

জাহেদ বলেন, জনআন্দোলনের আভাসেই পূর্ববর্তী শাসনকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল। তাঁদের দাবি ছিল—যারা ইনসাফ করেননি, তাদের বিষয়েই মূল্যায়ন হবে। “পরবর্তী যে বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে, সেটার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ইনসাফ,”—ঐ বক্তব্যে পুনরাবৃত্তি করেন তিনি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যদি শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন, তাঁকে কোন এক্সট্রা-জুডিশিয়াল শাস্তি দেওয়া হবে না।

একই সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সরকারের তিন মাসের অগ্রগতি তুলে ধরেন। পরে প্রশ্নোত্তরে জাহেদ বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন—শেখ হাসিনার বিচার চলমান; যদি প্রয়োজনে পুনর্বিচারের সুযোগ আসে, তা প্রদান হবে। “ওনার বিচার হয়েছে, ওনাকে ডিফেন্ড করতে আবার সুযোগ  দেওয়া হবে। তাতে তাঁর মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে যদি তিনি মুক্তি পান, টেকনিক্যালি বলছি, সেটা আমরা মানব; আর যদি না হয়, সেটা কার্যকর হবে—এটাই হচ্ছে ইনসাফ,” তিনি বলেন। তাঁর ভাষায়, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাও ন্যায়বিচারের অংশ হয়ে থাকতে পারে, যদি সেটি প্রক্রিয়াগতভাবে সুষ্ঠু হয়।



কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত