জাতীয়
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভ্রমণকারী দেশি-বিদেশি যাত্রীদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও আরামদায়ক করতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আধুনিক ও উচ্চগতির ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়েছে। আজ রোববার (১৮ মে) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন ডিজিটাল সুবিধার উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে দেশের প্রধান এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটিতে যাত্রীসেবার মান বিশ্বমানে উন্নীত করার ক্ষেত্রে নতুন এক মাইলফলক যুক্ত হলো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া ‘সবার জন্য দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট’ প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন এটি। এই সেবা যাত্রী সাধারণের যোগাযোগের কষ্ট অনেকলাঘব করবে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত ‘থার্ড টার্মিনাল’ যাত্রীসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে, যা দেশের এভিয়েশন খাতের রূপরেখা বদলে দেবে।
বিমানবন্দরের বিশাল এলাকাজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক নেটওয়ার্ক অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। নিচে এর মূল কারিগরি দিকগুলো হল
বিমানবন্দরের প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার এলাকাকে এই ফ্রি ওয়াইফাইয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
টার্মিনাল ১, টার্মিনাল ২, অভ্যন্তরীণ (ডোমেস্টিক) টার্মিনাল, ভিআইপি ও ভিভিআইপি টার্মিনাল এবং কার পার্কিং জোনসহ পুরো বিমানবন্দর এলাকা।
সম্পূর্ণ সিস্টেমটি সর্বোচ্চ ৪০ জিবিপিএস (Gbps) ব্যান্ডউইথ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে।
বিমানবন্দরে স্থাপন করা ২৫০টি অ্যাক্সেস পয়েন্টের প্রতিটি একই সাথে ১৫০টি ডিভাইসে সেবা দিতে পারে। ফলে পুরো বিমানবন্দর এলাকায় একসাথে প্রায় ৩৭ হাজার ৫০০ জন যাত্রী কোনো রকম গতিহীনতা ছাড়াই এই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, গত ২৬ এপ্রিল থেকে এই ফ্রি ওয়াইফাই সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। ট্রায়াল পিরিয়ডেই প্রায় ২০ হাজার মানুষ এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেছেন এবং এই সংক্ষিপ্ত সময়ে মোট ২.৩ টেরাবাইট (TB) ডেটা আদান-প্রদান হয়েছে। এই উদ্যোগটি সফলভাবে বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, এই বিশ্বমানের ডিজিটাল সুবিধা চালু হওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের তথ্যপ্রাপ্তি, তাৎক্ষণিক যোগাযোগ এবং জরুরি দাপ্তরিক কাজ সম্পাদন করা আরও দ্রুত ও সহজ হবে, যা বাংলাদেশকে স্মার্ট এভিয়েশন ব্যবস্থার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভ্রমণকারী দেশি-বিদেশি যাত্রীদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও আরামদায়ক করতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আধুনিক ও উচ্চগতির ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়েছে। আজ রোববার (১৮ মে) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন ডিজিটাল সুবিধার উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে দেশের প্রধান এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটিতে যাত্রীসেবার মান বিশ্বমানে উন্নীত করার ক্ষেত্রে নতুন এক মাইলফলক যুক্ত হলো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া ‘সবার জন্য দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট’ প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন এটি। এই সেবা যাত্রী সাধারণের যোগাযোগের কষ্ট অনেকলাঘব করবে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত ‘থার্ড টার্মিনাল’ যাত্রীসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে, যা দেশের এভিয়েশন খাতের রূপরেখা বদলে দেবে।
বিমানবন্দরের বিশাল এলাকাজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক নেটওয়ার্ক অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। নিচে এর মূল কারিগরি দিকগুলো হল
বিমানবন্দরের প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার এলাকাকে এই ফ্রি ওয়াইফাইয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
টার্মিনাল ১, টার্মিনাল ২, অভ্যন্তরীণ (ডোমেস্টিক) টার্মিনাল, ভিআইপি ও ভিভিআইপি টার্মিনাল এবং কার পার্কিং জোনসহ পুরো বিমানবন্দর এলাকা।
সম্পূর্ণ সিস্টেমটি সর্বোচ্চ ৪০ জিবিপিএস (Gbps) ব্যান্ডউইথ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে।
বিমানবন্দরে স্থাপন করা ২৫০টি অ্যাক্সেস পয়েন্টের প্রতিটি একই সাথে ১৫০টি ডিভাইসে সেবা দিতে পারে। ফলে পুরো বিমানবন্দর এলাকায় একসাথে প্রায় ৩৭ হাজার ৫০০ জন যাত্রী কোনো রকম গতিহীনতা ছাড়াই এই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, গত ২৬ এপ্রিল থেকে এই ফ্রি ওয়াইফাই সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। ট্রায়াল পিরিয়ডেই প্রায় ২০ হাজার মানুষ এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেছেন এবং এই সংক্ষিপ্ত সময়ে মোট ২.৩ টেরাবাইট (TB) ডেটা আদান-প্রদান হয়েছে। এই উদ্যোগটি সফলভাবে বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, এই বিশ্বমানের ডিজিটাল সুবিধা চালু হওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের তথ্যপ্রাপ্তি, তাৎক্ষণিক যোগাযোগ এবং জরুরি দাপ্তরিক কাজ সম্পাদন করা আরও দ্রুত ও সহজ হবে, যা বাংলাদেশকে স্মার্ট এভিয়েশন ব্যবস্থার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।
2.png)