সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 খেলাখেলা

সিলেটে বোলারদের যৌথ মহাকাব্য: বাবর-রিজওয়ানদের গুঁড়িয়ে চালকের আসনে বাংলাদেশ

প্রথম সেশনে তাসকিন-মিরাজের আঘাত, দ্বিতীয় সেশনে তাইজুল এবং শেষবেলায় নাহিদ রানার ১০ বলের বিধ্বংসী স্পেলে ২৩২ রানেই থমকে গেল পাকিস্তান; দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ এগিয়ে ১৫৬ রানে।

সিলেটে বোলারদের যৌথ মহাকাব্য: বাবর-রিজওয়ানদের গুঁড়িয়ে চালকের আসনে বাংলাদেশ
ছবি -সংগৃহীত

পাকিস্তান টেস্ট একাদশে বাবর আজমের প্রত্যাবর্তন সফরকারী দলের ব্যাটিং শক্তি ও আত্মবিশ্বাস দুই-ই বাড়িয়ে দিয়েছিল বহুগুণ। আর সে কারণেই বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তোলা ২৭৮ রানকে অনেকে নিরাপদ পুঁজি বলে বাজি ধরার সাহস পাননি। তবে মাঠের লড়াইয়ে চিত্রনাট্যটা সম্পূর্ণ অন্যভাবে লিখলেন বাংলাদেশের বোলাররা। ধীরগতির আউটফিল্ডে রান তোলার কঠিন যুদ্ধের দিনে পাকিস্তানি তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপকে ২৩২ রানে অলআউট করে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের মূল্যবান লিড আদায় করেছে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলেছে স্বাগতিকেরা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৩ রানে অপরাজিত আছেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন ১৫৬ রানে এগিয়ে থেকে ম্যাচের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছে।

প্রথম দিন শেষে বিনা উইকেটে ২১ রান তোলা পাকিস্তান দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নামলে প্রথম ঘণ্টার পুরোটা জুড়েই ছড়ি ঘুরিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। প্রথম সেশনে মাত্র ৭৪ রান তুলতেই ৪টি টপ-অর্ডার উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয় পড়ে সফরকারীরা।

  • তাসকিনের গতি ও সুইং: দিনের দ্বিতীয় ওভারেই আঘাত হানেন অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ। তাঁর  গতি ও অ্যাঙ্গেল ডেলিভারিতে ড্রাইভ করতে গিয়ে পরাস্ত হন ওপেনার আবদুল্লাহ ফজল (৯)। ফার্স্ট স্লিপে দুর্দান্ত এক ডাইভিং ক্যাচ নেন লিটন দাস। নিজের পরের ওভারেই মিরপুর টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান আজান আওয়াইসকে (১৩) লেট সুইংয়ে পরাস্ত করে শর্ট লেগে ক্যাচে পরিণত করেন তাসকিন। তাঁর ৩ ওভারের উদ্বোধনী স্পেলটি ছিল চোখধাঁধানো: ৩-১-১০-২!

  • মিরাজের জোড়া আঘাত: দুই উইকেট হারানোর পর শান মাসুদ ও বাবর আজম ৩৮ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বোলিং পরিবর্তনে এসেই সেই জুটি ভাঙেন অফ-স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর দ্বিতীয় ডেলিভারিতেই শর্ট কাভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন পাকিস্তানি অধিনায়ক শান মাসুদ (২১)। নিজের চতুর্থ ওভারে এসে আরেক থিতু ব্যাটার সৌদ শাকিলকে (৮) সুইপ খেলার প্রলোভন দেখিয়ে উইকেটের পেছনে লিটনের গ্লাভসবন্দি করেন মিরাজ (প্রথম স্পেল: ৭-২-১৪-২)।

লাঞ্চের আগে ৯৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান।

দ্বিতীয় সেশনে বাবর আজম ও সালমান আলী আগা মিলে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন। বাবর আজম ৮৪ বলে ১০টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৮ রানের এক লড়াকু ইনিংস খেলেন। কিন্তু এই বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটিটি ভাঙেন গতি তারকা নাহিদ রানা। রানার একটি ডেলিভারি ফ্লিক করতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দেন বাবর।

বাবরের বিদায়ের পর দৃশ্যপটে আসেন বাঁহাতি স্পিন মাস্টার তাইজুল ইসলাম। তাঁর স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তানের মিডল অর্ডার।

  • রিজওয়ানের বোকামি: মিরপুর টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে নাহিদ রানার ইনসুইং বল ছেড়ে দিয়ে বোল্ড হয়েছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। সিলেটেও সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করলেন তিনি। তাইজুলের গুড লেংথের একটি সোজা চলে আসা (আর্ম বল) বল ডিফেন্স করতে গিয়ে পুরোপুরি লাইন মিস করেন রিজওয়ান (১৩); বল তাঁর ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে স্টাম্প উপড়ে দেয়।

  • এরপর সালমান আগা (২১) এবং হাসান আলীকেও (১৮) নিজের শিকার বানিয়ে পাকিস্তানের লিড নেওয়ার পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেন তাইজুল।

নাহিদ রানার ১০ বলের ঝড়: টি-ব্রেকের পর পাকিস্তান তাদের শেষ ২ উইকেটে মাত্র ২৬ রান যোগ করতে সমর্থ হয়। এর মূল কারণ ছিল নাহিদ রানার ১০ বলের এক বিধ্বংসী স্পেল। শর্ট লেগে খুররম শেহজাদকে (১০) এবং স্লিপে মুমিনুলের হাতে ক্যাচ বানিয়ে সাজিদ খানকে (৩৮) আউট করে পাকিস্তানের ইনিংস ২৩২ রানেই গুটিয়ে দেন রানা।

৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। খুররম শেহজাদের বলে ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে গালিতে ক্যাচ দিয়ে বসেন অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিম (৪)।

তবে এরপর মুমিনুল হককে সাথে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ৭৬ রানের এক দারুণ জুটি গড়েন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। মিরপুর টেস্টের দুই ইনিংসে ৮ ও ৫ রানে আউট হওয়া জয় আজ ছিলেন আত্মবিশ্বাসী। মোহাম্মদ আব্বাসকে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে দুর্দান্ত বাউন্ডারি মেরে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটি উদযাপন করেন তিনি। তবে ফিফটির পরেই আব্বাসের পরের ওভারে লেগ সাইডে ঘোরাতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগেই ক্যাচ দিয়ে বসেন জয় (৬৪ বলে ৫২ রান)।

দিনের অন্তিম মুহূর্তে বড় ধাক্কাটি খায় বাংলাদেশ। খুররম শেহজাদের লেগ স্ট্যাম্পের বাইরের একটি শর্ট বল থার্ডম্যান দিয়ে খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বসেন মুমিনুল হক (৬০ বলে ৩০ রান)। দিনের শেষ ওভারের এই আক্ষেপ বাদ দিলে, চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তানের জন্য এই উইকেটে লক্ষ্য তাড়া করা ক্রমেই এক প্রকার অসম্ভব হয়ে উঠছে।


দ্বিতীয় দিন শেষে সংক্ষিপ্ত স্কোর:

  • বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৭৮/১০ (৭৭ ওভার)

  • পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ২৩২/১০ (৭৬.২ ওভার); বাবর ৬৮, সাজিদ ৩৮, শান ২১। (নাহিদ রানা ৩/..., তাইজুল ৩/..., তাসকিন ২/১০, মিরাজ ২/১৪)

  • বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ১১০/৩ (২৯.৪ ওভার); মাহমুদুল হাসান জয় ৫২, মুমিনুল ৩০, নাজমুল হোসেন শান্ত ১৩*। (খুররম ২/...)

  • ম্যাচের অবস্থা: বাংলাদেশ ১৫৬ রানে এগিয়ে।


বিষয় : বাংলাদেশ_বনাম_পাকিস্তান সিলেট_টেস্ট_২০২৬ নাহিদ_রানা মাহমুদুল_হাসান_জ

সিলেটে বোলারদের যৌথ মহাকাব্য: বাবর-রিজওয়ানদের গুঁড়িয়ে চালকের আসনে বাংলাদেশ
0:00 0:00
1.0x
কাল মহাকাল

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


সিলেটে বোলারদের যৌথ মহাকাব্য: বাবর-রিজওয়ানদের গুঁড়িয়ে চালকের আসনে বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

পাকিস্তান টেস্ট একাদশে বাবর আজমের প্রত্যাবর্তন সফরকারী দলের ব্যাটিং শক্তি ও আত্মবিশ্বাস দুই-ই বাড়িয়ে দিয়েছিল বহুগুণ। আর সে কারণেই বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তোলা ২৭৮ রানকে অনেকে নিরাপদ পুঁজি বলে বাজি ধরার সাহস পাননি। তবে মাঠের লড়াইয়ে চিত্রনাট্যটা সম্পূর্ণ অন্যভাবে লিখলেন বাংলাদেশের বোলাররা। ধীরগতির আউটফিল্ডে রান তোলার কঠিন যুদ্ধের দিনে পাকিস্তানি তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপকে ২৩২ রানে অলআউট করে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের মূল্যবান লিড আদায় করেছে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলেছে স্বাগতিকেরা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৩ রানে অপরাজিত আছেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন ১৫৬ রানে এগিয়ে থেকে ম্যাচের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছে।

প্রথম দিন শেষে বিনা উইকেটে ২১ রান তোলা পাকিস্তান দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নামলে প্রথম ঘণ্টার পুরোটা জুড়েই ছড়ি ঘুরিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। প্রথম সেশনে মাত্র ৭৪ রান তুলতেই ৪টি টপ-অর্ডার উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয় পড়ে সফরকারীরা।

  • তাসকিনের গতি ও সুইং: দিনের দ্বিতীয় ওভারেই আঘাত হানেন অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ। তাঁর  গতি ও অ্যাঙ্গেল ডেলিভারিতে ড্রাইভ করতে গিয়ে পরাস্ত হন ওপেনার আবদুল্লাহ ফজল (৯)। ফার্স্ট স্লিপে দুর্দান্ত এক ডাইভিং ক্যাচ নেন লিটন দাস। নিজের পরের ওভারেই মিরপুর টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান আজান আওয়াইসকে (১৩) লেট সুইংয়ে পরাস্ত করে শর্ট লেগে ক্যাচে পরিণত করেন তাসকিন। তাঁর ৩ ওভারের উদ্বোধনী স্পেলটি ছিল চোখধাঁধানো: ৩-১-১০-২!

  • মিরাজের জোড়া আঘাত: দুই উইকেট হারানোর পর শান মাসুদ ও বাবর আজম ৩৮ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বোলিং পরিবর্তনে এসেই সেই জুটি ভাঙেন অফ-স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর দ্বিতীয় ডেলিভারিতেই শর্ট কাভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন পাকিস্তানি অধিনায়ক শান মাসুদ (২১)। নিজের চতুর্থ ওভারে এসে আরেক থিতু ব্যাটার সৌদ শাকিলকে (৮) সুইপ খেলার প্রলোভন দেখিয়ে উইকেটের পেছনে লিটনের গ্লাভসবন্দি করেন মিরাজ (প্রথম স্পেল: ৭-২-১৪-২)।

লাঞ্চের আগে ৯৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান।

দ্বিতীয় সেশনে বাবর আজম ও সালমান আলী আগা মিলে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন। বাবর আজম ৮৪ বলে ১০টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৮ রানের এক লড়াকু ইনিংস খেলেন। কিন্তু এই বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটিটি ভাঙেন গতি তারকা নাহিদ রানা। রানার একটি ডেলিভারি ফ্লিক করতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দেন বাবর।

বাবরের বিদায়ের পর দৃশ্যপটে আসেন বাঁহাতি স্পিন মাস্টার তাইজুল ইসলাম। তাঁর স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তানের মিডল অর্ডার।

  • রিজওয়ানের বোকামি: মিরপুর টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে নাহিদ রানার ইনসুইং বল ছেড়ে দিয়ে বোল্ড হয়েছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। সিলেটেও সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করলেন তিনি। তাইজুলের গুড লেংথের একটি সোজা চলে আসা (আর্ম বল) বল ডিফেন্স করতে গিয়ে পুরোপুরি লাইন মিস করেন রিজওয়ান (১৩); বল তাঁর ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে স্টাম্প উপড়ে দেয়।

  • এরপর সালমান আগা (২১) এবং হাসান আলীকেও (১৮) নিজের শিকার বানিয়ে পাকিস্তানের লিড নেওয়ার পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেন তাইজুল।

নাহিদ রানার ১০ বলের ঝড়: টি-ব্রেকের পর পাকিস্তান তাদের শেষ ২ উইকেটে মাত্র ২৬ রান যোগ করতে সমর্থ হয়। এর মূল কারণ ছিল নাহিদ রানার ১০ বলের এক বিধ্বংসী স্পেল। শর্ট লেগে খুররম শেহজাদকে (১০) এবং স্লিপে মুমিনুলের হাতে ক্যাচ বানিয়ে সাজিদ খানকে (৩৮) আউট করে পাকিস্তানের ইনিংস ২৩২ রানেই গুটিয়ে দেন রানা।

৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। খুররম শেহজাদের বলে ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে গালিতে ক্যাচ দিয়ে বসেন অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিম (৪)।

তবে এরপর মুমিনুল হককে সাথে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ৭৬ রানের এক দারুণ জুটি গড়েন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। মিরপুর টেস্টের দুই ইনিংসে ৮ ও ৫ রানে আউট হওয়া জয় আজ ছিলেন আত্মবিশ্বাসী। মোহাম্মদ আব্বাসকে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে দুর্দান্ত বাউন্ডারি মেরে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটি উদযাপন করেন তিনি। তবে ফিফটির পরেই আব্বাসের পরের ওভারে লেগ সাইডে ঘোরাতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগেই ক্যাচ দিয়ে বসেন জয় (৬৪ বলে ৫২ রান)।

দিনের অন্তিম মুহূর্তে বড় ধাক্কাটি খায় বাংলাদেশ। খুররম শেহজাদের লেগ স্ট্যাম্পের বাইরের একটি শর্ট বল থার্ডম্যান দিয়ে খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বসেন মুমিনুল হক (৬০ বলে ৩০ রান)। দিনের শেষ ওভারের এই আক্ষেপ বাদ দিলে, চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তানের জন্য এই উইকেটে লক্ষ্য তাড়া করা ক্রমেই এক প্রকার অসম্ভব হয়ে উঠছে।


দ্বিতীয় দিন শেষে সংক্ষিপ্ত স্কোর:

  • বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৭৮/১০ (৭৭ ওভার)

  • পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ২৩২/১০ (৭৬.২ ওভার); বাবর ৬৮, সাজিদ ৩৮, শান ২১। (নাহিদ রানা ৩/..., তাইজুল ৩/..., তাসকিন ২/১০, মিরাজ ২/১৪)

  • বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ১১০/৩ (২৯.৪ ওভার); মাহমুদুল হাসান জয় ৫২, মুমিনুল ৩০, নাজমুল হোসেন শান্ত ১৩*। (খুররম ২/...)

  • ম্যাচের অবস্থা: বাংলাদেশ ১৫৬ রানে এগিয়ে।



কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত