খেলা
মাঠের জাদুতে তিনি অনন্য, এবার কাগুজে চুক্তিতেও বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলেন লিওনেল মেসি। ইন্টার মায়ামির সঙ্গে নতুন চুক্তিতে এই আর্জেন্টাইন মহাতারকার বেতন বেড়েছে আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। এমএলএস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, মেসির বর্তমান বেতন দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩০৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকার সমপরিমাণ।
নতুন এই চুক্তির ফলে মেসির মোট নিশ্চিত বার্ষিক আয় এখন ২ কোটি ৮৩ লাখ ৩৩ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। আয়ের এই তালিকায় তিনি এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এমনকি লিগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপার্জনকারী লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি (এলএএফসি) তারকা সন হিউং-মিনের চেয়েও মেসির আয় দ্বিগুণের বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের এই সকার লিগে (এমএলএস) ইন্টার মায়ামি বাদে অন্য কোনো ক্লাবই তাদের পুরো দলের খেলোয়াড়দের পেছনে এত বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচ করে না।
মেসিকে কেন্দ্র করে মায়ামির বর্তমান বেতন কাঠামো এখন এমএলএসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ক্লাবটির মোট বেতন বিল এখন ৫ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা লস অ্যাঞ্জেলেসের চেয়েও ২ কোটি ডলার বেশি। বিপরীতে, লিগের সর্বনিম্ন বেতনের দল ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন খরচ করছে মাত্র ১ কোটি ১৭ লাখ ডলার। অর্থাৎ, শুধু মেসির পেছনে মায়ামির যে ব্যয়, তা ফিলাডেলফিয়ার পুরো দলের খরচের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে যখন মেসি মায়ামিতে যোগ দেন, তখন তাঁর বার্ষিক নিশ্চিত আয় ছিল ২ কোটি ৪ লাখ ডলারের কাছাকাছি। তবে গত অক্টোবরে ২০২৮ সাল পর্যন্ত বর্ধিত নতুন তিন বছরের চুক্তিতে সই করার পর পাল্টে যায় দৃশ্যপট। ক্লাবটির ইতিহাসে প্রথম এমএলএস কাপ জয়ের কারিগর মেসি গত মৌসুমে রেকর্ড ২৯টি গোল করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো লিগের সেরা খেলোয়াড়ের (এমভিপি) খেতাব কুড়িয়ে নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, প্রকাশিত এই হিসাবের মধ্যে মেসির মার্কেটিং বোনাস ও এজেন্ট ফি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে ক্লাব বা এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে থাকা অতিরিক্ত বাণিজ্যিক চুক্তি কিংবা পারফরম্যান্স বোনাস এই আয়ের বাইরে রাখা হয়েছে। ফলে মাঠ এবং মাঠের বাইরে থেকে মেসির প্রকৃত আয়ের অঙ্কটা যে আরও বিশাল, তা সহজেই অনুমেয়। ফুটবল বিশ্বের এই উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের ছোঁয়ায় কেবল মাঠের সাফল্যই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল অর্থনীতির মানচিত্রও যে বদলে যাচ্ছে—এই চুক্তি তারই এক বলিষ্ঠ প্রমাণ।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
মাঠের জাদুতে তিনি অনন্য, এবার কাগুজে চুক্তিতেও বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলেন লিওনেল মেসি। ইন্টার মায়ামির সঙ্গে নতুন চুক্তিতে এই আর্জেন্টাইন মহাতারকার বেতন বেড়েছে আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। এমএলএস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, মেসির বর্তমান বেতন দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩০৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকার সমপরিমাণ।
নতুন এই চুক্তির ফলে মেসির মোট নিশ্চিত বার্ষিক আয় এখন ২ কোটি ৮৩ লাখ ৩৩ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। আয়ের এই তালিকায় তিনি এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এমনকি লিগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপার্জনকারী লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি (এলএএফসি) তারকা সন হিউং-মিনের চেয়েও মেসির আয় দ্বিগুণের বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের এই সকার লিগে (এমএলএস) ইন্টার মায়ামি বাদে অন্য কোনো ক্লাবই তাদের পুরো দলের খেলোয়াড়দের পেছনে এত বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচ করে না।
মেসিকে কেন্দ্র করে মায়ামির বর্তমান বেতন কাঠামো এখন এমএলএসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ক্লাবটির মোট বেতন বিল এখন ৫ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা লস অ্যাঞ্জেলেসের চেয়েও ২ কোটি ডলার বেশি। বিপরীতে, লিগের সর্বনিম্ন বেতনের দল ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন খরচ করছে মাত্র ১ কোটি ১৭ লাখ ডলার। অর্থাৎ, শুধু মেসির পেছনে মায়ামির যে ব্যয়, তা ফিলাডেলফিয়ার পুরো দলের খরচের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে যখন মেসি মায়ামিতে যোগ দেন, তখন তাঁর বার্ষিক নিশ্চিত আয় ছিল ২ কোটি ৪ লাখ ডলারের কাছাকাছি। তবে গত অক্টোবরে ২০২৮ সাল পর্যন্ত বর্ধিত নতুন তিন বছরের চুক্তিতে সই করার পর পাল্টে যায় দৃশ্যপট। ক্লাবটির ইতিহাসে প্রথম এমএলএস কাপ জয়ের কারিগর মেসি গত মৌসুমে রেকর্ড ২৯টি গোল করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো লিগের সেরা খেলোয়াড়ের (এমভিপি) খেতাব কুড়িয়ে নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, প্রকাশিত এই হিসাবের মধ্যে মেসির মার্কেটিং বোনাস ও এজেন্ট ফি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে ক্লাব বা এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে থাকা অতিরিক্ত বাণিজ্যিক চুক্তি কিংবা পারফরম্যান্স বোনাস এই আয়ের বাইরে রাখা হয়েছে। ফলে মাঠ এবং মাঠের বাইরে থেকে মেসির প্রকৃত আয়ের অঙ্কটা যে আরও বিশাল, তা সহজেই অনুমেয়। ফুটবল বিশ্বের এই উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের ছোঁয়ায় কেবল মাঠের সাফল্যই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল অর্থনীতির মানচিত্রও যে বদলে যাচ্ছে—এই চুক্তি তারই এক বলিষ্ঠ প্রমাণ।
2.png)