জাতীয়
পবিত্র ঈদুল আজহার আগাম বারতা নিয়ে শুরু হলো রেলের টিকিট যুদ্ধ। প্রথম দিনেই টিকিটপ্রত্যাশীদের চাপে রীতিমতো লণ্ডভণ্ড অবস্থা রেলের সার্ভারে। আজ বুধবার সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরুর মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের জন্য বরাদ্দকৃত প্রায় সব টিকিট শেষ হয়ে গেছে।
রেলওয়ে সূত্রমতে, আজ ১৩ মে দেওয়া হচ্ছে আগামী ২৩ মে'র অগ্রিম টিকিট। অনলাইনে শতভাগ টিকিট বিক্রির এই প্রক্রিয়ায় সকাল থেকেই ছিল সাধারণ মানুষের তীক্ষ্ণ নজর। পরিসংখ্যান বলছে, সকাল ৮টা বাজার প্রথম ১৫ মিনিটেই সাড়ে ১২ হাজারের বেশি টিকিট বুকিং হয়ে যায়। আর ৯টার কাঁটা পেরোনোর আগেই ১৫ হাজার ৪৩টি টিকিটের পুরো কোটাই শেষ হয়ে যায়। রেলের কারিগরি বিভাগ জানিয়েছে, প্রথম আধঘণ্টায় টিকিট কেনার জন্য প্রায় ৬০ লাখ বার চেষ্টা বা ‘হিট’ হয়েছে ওয়েবসাইটে, যা থেকে আন্দাজ করা যায় টিকিটের চাহিদার ভয়াবহতা।
পূর্বাঞ্চলের (ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ) জন্য নির্ধারিত ১৫ হাজার ৯৭৪টি টিকিটের বিক্রি শুরু হয়েছে দুপুর ২টা থেকে। সেখানেও একই রকম হিটের ঝড় বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনের এসি কামরার টিকিট পেতে সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের ব্যবধানে লড়াই করছেন হাজারো মানুষ। যারা ক্ষিপ্রতার সাথে ক্লিক করতে পেরেছেন, শেষ পর্যন্ত তারাই টিকিট নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
রেলের পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ১৪ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত ক্রমান্বয়ে ২৪ থেকে ২৭ মে’র অগ্রিম টিকিট পাওয়া যাবে। অন্যদিকে, ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার জন্য ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ২১ মে থেকে। একজন যাত্রী জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে দিনে সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে এবারও মোট আসনের ২৫ শতাংশ ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার’ (স্ট্যান্ডিং) টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে, যা কেবল যাত্রার দিন কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবার নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি ১০টি বিশেষ বা ‘স্পেশাল’ ট্রেন চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটে ‘তিস্তা স্পেশাল’ এবং জয়দেবপুর-পার্বতীপুর রুটে ‘পার্বতীপুর স্পেশাল’ অন্যতম। এছাড়া কোরবানির পশু পরিবহনের সুবিধার্থে ২২ ও ২৩ মে দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর বাজার থেকে ঢাকা অভিমুখে চলবে দুটি ‘ক্যাটল স্পেশাল’ ট্রেন।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার আগাম বারতা নিয়ে শুরু হলো রেলের টিকিট যুদ্ধ। প্রথম দিনেই টিকিটপ্রত্যাশীদের চাপে রীতিমতো লণ্ডভণ্ড অবস্থা রেলের সার্ভারে। আজ বুধবার সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরুর মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের জন্য বরাদ্দকৃত প্রায় সব টিকিট শেষ হয়ে গেছে।
রেলওয়ে সূত্রমতে, আজ ১৩ মে দেওয়া হচ্ছে আগামী ২৩ মে'র অগ্রিম টিকিট। অনলাইনে শতভাগ টিকিট বিক্রির এই প্রক্রিয়ায় সকাল থেকেই ছিল সাধারণ মানুষের তীক্ষ্ণ নজর। পরিসংখ্যান বলছে, সকাল ৮টা বাজার প্রথম ১৫ মিনিটেই সাড়ে ১২ হাজারের বেশি টিকিট বুকিং হয়ে যায়। আর ৯টার কাঁটা পেরোনোর আগেই ১৫ হাজার ৪৩টি টিকিটের পুরো কোটাই শেষ হয়ে যায়। রেলের কারিগরি বিভাগ জানিয়েছে, প্রথম আধঘণ্টায় টিকিট কেনার জন্য প্রায় ৬০ লাখ বার চেষ্টা বা ‘হিট’ হয়েছে ওয়েবসাইটে, যা থেকে আন্দাজ করা যায় টিকিটের চাহিদার ভয়াবহতা।
পূর্বাঞ্চলের (ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ) জন্য নির্ধারিত ১৫ হাজার ৯৭৪টি টিকিটের বিক্রি শুরু হয়েছে দুপুর ২টা থেকে। সেখানেও একই রকম হিটের ঝড় বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনের এসি কামরার টিকিট পেতে সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের ব্যবধানে লড়াই করছেন হাজারো মানুষ। যারা ক্ষিপ্রতার সাথে ক্লিক করতে পেরেছেন, শেষ পর্যন্ত তারাই টিকিট নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
রেলের পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ১৪ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত ক্রমান্বয়ে ২৪ থেকে ২৭ মে’র অগ্রিম টিকিট পাওয়া যাবে। অন্যদিকে, ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার জন্য ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ২১ মে থেকে। একজন যাত্রী জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে দিনে সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে এবারও মোট আসনের ২৫ শতাংশ ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার’ (স্ট্যান্ডিং) টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে, যা কেবল যাত্রার দিন কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবার নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি ১০টি বিশেষ বা ‘স্পেশাল’ ট্রেন চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটে ‘তিস্তা স্পেশাল’ এবং জয়দেবপুর-পার্বতীপুর রুটে ‘পার্বতীপুর স্পেশাল’ অন্যতম। এছাড়া কোরবানির পশু পরিবহনের সুবিধার্থে ২২ ও ২৩ মে দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর বাজার থেকে ঢাকা অভিমুখে চলবে দুটি ‘ক্যাটল স্পেশাল’ ট্রেন।
2.png)