আন্তর্জাতিক
প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও অর্থবহ ও ইতিবাচক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক কিছু ইস্যু নিয়ে আলোচনা থাকলেও দুই দেশের সম্পর্কের মূল গতিপথ এখন গঠনমূলক উন্নয়নের দিকে। গত মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেই বলেন, “আমরা ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতিটি ধাপ এগিয়ে নিচ্ছি।”
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের দিল্লি সফর এবং ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার ঢাকা সফরকে এই সম্পর্কের গভীরতার প্রমাণ হিসেবে দেখছে ভারত। জয়সওয়ালের মতে, উচ্চপর্যায়ের এই সফরগুলোই বর্তমান সম্পর্কের প্রকৃত দিকনির্দেশক।
বৈশ্বিক অস্থিরতায় সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ঢাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নয়াদিল্লি। জয়সওয়াল জানান, ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন’-এর মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে হাই-স্পিড ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানির চাহিদা আসায় ভারত তা সানন্দে পূরণ করছে এবং এই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কেবল বাংলাদেশ নয়, প্রতিবেশী নেপাল ও ভুটানেও জ্বালানি পণ্য সরবরাহ এবং শ্রীলঙ্কাকে সংকটকালীন সহায়তা দিয়ে ভারত তার ‘প্রতিবেশী প্রথম’ (Neighbor First) নীতির প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।
অবৈধ অভিবাসন প্রসঙ্গে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রশংসা করে ভারতের এই মুখপাত্র জানান, বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ২ হাজার ৮৬০ জন ব্যক্তির নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য তালিকা ঢাকার কাছে পাঠানো হয়েছে, যার চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে দিল্লি।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাওয়া হলে জয়সওয়াল অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে উত্তর দেন। তিনি জানান, ভারত আঞ্চলিক প্রতিটি পরিবর্তনের ওপর কড়া নজর রাখে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “অন্য কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক কী হবে, তার ওপর ভিত্তি করে ভারতের সাথে ঢাকার সম্পর্ক নির্ধারিত হয় না। আমাদের এই বন্ধুত্ব নিজস্ব শক্তিতে বলীয়ান এবং সার্বভৌম।”
সার্বিক পরিস্থিতিতে এটি স্পষ্ট যে, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে ঢাকাকে একটি অপরিহার্য অংশীদার হিসেবেই বিবেচনা করছে মোদী সরকার।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও অর্থবহ ও ইতিবাচক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক কিছু ইস্যু নিয়ে আলোচনা থাকলেও দুই দেশের সম্পর্কের মূল গতিপথ এখন গঠনমূলক উন্নয়নের দিকে। গত মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেই বলেন, “আমরা ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতিটি ধাপ এগিয়ে নিচ্ছি।”
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের দিল্লি সফর এবং ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার ঢাকা সফরকে এই সম্পর্কের গভীরতার প্রমাণ হিসেবে দেখছে ভারত। জয়সওয়ালের মতে, উচ্চপর্যায়ের এই সফরগুলোই বর্তমান সম্পর্কের প্রকৃত দিকনির্দেশক।
বৈশ্বিক অস্থিরতায় সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ঢাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নয়াদিল্লি। জয়সওয়াল জানান, ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন’-এর মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে হাই-স্পিড ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানির চাহিদা আসায় ভারত তা সানন্দে পূরণ করছে এবং এই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কেবল বাংলাদেশ নয়, প্রতিবেশী নেপাল ও ভুটানেও জ্বালানি পণ্য সরবরাহ এবং শ্রীলঙ্কাকে সংকটকালীন সহায়তা দিয়ে ভারত তার ‘প্রতিবেশী প্রথম’ (Neighbor First) নীতির প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।
অবৈধ অভিবাসন প্রসঙ্গে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রশংসা করে ভারতের এই মুখপাত্র জানান, বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ২ হাজার ৮৬০ জন ব্যক্তির নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য তালিকা ঢাকার কাছে পাঠানো হয়েছে, যার চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে দিল্লি।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাওয়া হলে জয়সওয়াল অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে উত্তর দেন। তিনি জানান, ভারত আঞ্চলিক প্রতিটি পরিবর্তনের ওপর কড়া নজর রাখে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “অন্য কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক কী হবে, তার ওপর ভিত্তি করে ভারতের সাথে ঢাকার সম্পর্ক নির্ধারিত হয় না। আমাদের এই বন্ধুত্ব নিজস্ব শক্তিতে বলীয়ান এবং সার্বভৌম।”
সার্বিক পরিস্থিতিতে এটি স্পষ্ট যে, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে ঢাকাকে একটি অপরিহার্য অংশীদার হিসেবেই বিবেচনা করছে মোদী সরকার।
2.png)