সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 খেলাখেলা

মিরপুরে ধৈর্য, জুটি আর নিয়ন্ত্রণ—বাংলাদেশের লিড ১৭৯

দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও ইনিংসকে স্থির করেন মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ইনিংসে ১৭০ রানের জুটি গড়া এই দুই ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় ইনিংসেও আবারও বাংলাদেশের ভরসা হয়ে ওঠেন। ধীরে কিন্তু নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ে তারা ম্যাচের গতি নিজেদের দিকে টেনে নেন।

মিরপুরে ধৈর্য, জুটি আর নিয়ন্ত্রণ—বাংলাদেশের লিড ১৭৯
ছবি -সংগৃহীত

প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটে ৯৩ রান, তখন তাদের লিড ছিল ১২০। মুমিনুল ৩৭ ও শান্ত ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।

 তবে লাঞ্চের পরপরই মিরপুরের আকাশ কালো হয়ে বৃষ্টিতে খেলা থেমে যায়, মাঠ ঢেকে রাখা হয় কাভারে।

প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিরতির পর বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে আবার শুরু হয় খেলা। বৃষ্টি শেষে রোদ ওঠায় মাঠ প্রস্তুত করেন গ্রাউন্ডসম্যানরা। বিরতির পরও ব্যাটিংয়ে ছন্দ হারাননি দুই ব্যাটার—মুমিনুল ও শান্ত দুজনেই সাবলীলভাবে রান যোগ করতে থাকেন।

৪০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ১২৩। এই সময়েই টেস্ট ক্রিকেটে টানা পঞ্চম ফিফটি তুলে নেন মুমিনুল হক। তার সাম্প্রতিক পাঁচ ইনিংসের ধারাবাহিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো—৮২, ৬৩, ৮৭, ৯১ ও ৫০। একইসঙ্গে টেস্ট ক্যারিয়ারে ৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি, বাংলাদেশের হয়ে এই অর্জনে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে নাম লেখান।

অন্য প্রান্তে অধিনায়ক শান্তও নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন। শাহি আফ্রিদীর করা এক ওভারে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি। তবে একই ওভারে থেমে যায় মুমিনুলের ইনিংস—৫৬ রানে আউট হন তিনি। তৃতীয় উইকেটে শান্তর সঙ্গে ১০০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে যান তিনি।

দিনের শেষ দিকে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে আরেকটি কার্যকর জুটি গড়েন শান্ত। দিন শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক অপরাজিত থাকেন ৫৮ রানে, মুশফিক ১৬ রানে ব্যাট করছিলেন। দিনের শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫২, প্রথম ইনিংসের ২৭ রানের লিড মিলিয়ে মোট লিড দাঁড়ায় ১৭৯ রানে।

মিরপুরের উইকেটের আচরণ এবং চতুর্থ ইনিংসের ইতিহাস বিবেচনায় এই লিড ম্যাচে পাকিস্তান টিমের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন পঞ্চম দিনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করিয়ে সফরকারীদের চাপে ফেলাই স্বাগতিকদের মূল লক্ষ্য। 

মিরপুরে ধৈর্য, জুটি আর নিয়ন্ত্রণ—বাংলাদেশের লিড ১৭৯
0:00 0:00
1.0x
কাল মহাকাল

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


মিরপুরে ধৈর্য, জুটি আর নিয়ন্ত্রণ—বাংলাদেশের লিড ১৭৯

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image


প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটে ৯৩ রান, তখন তাদের লিড ছিল ১২০। মুমিনুল ৩৭ ও শান্ত ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।

 তবে লাঞ্চের পরপরই মিরপুরের আকাশ কালো হয়ে বৃষ্টিতে খেলা থেমে যায়, মাঠ ঢেকে রাখা হয় কাভারে।

প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিরতির পর বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে আবার শুরু হয় খেলা। বৃষ্টি শেষে রোদ ওঠায় মাঠ প্রস্তুত করেন গ্রাউন্ডসম্যানরা। বিরতির পরও ব্যাটিংয়ে ছন্দ হারাননি দুই ব্যাটার—মুমিনুল ও শান্ত দুজনেই সাবলীলভাবে রান যোগ করতে থাকেন।

৪০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ১২৩। এই সময়েই টেস্ট ক্রিকেটে টানা পঞ্চম ফিফটি তুলে নেন মুমিনুল হক। তার সাম্প্রতিক পাঁচ ইনিংসের ধারাবাহিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো—৮২, ৬৩, ৮৭, ৯১ ও ৫০। একইসঙ্গে টেস্ট ক্যারিয়ারে ৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি, বাংলাদেশের হয়ে এই অর্জনে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে নাম লেখান।

অন্য প্রান্তে অধিনায়ক শান্তও নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন। শাহি আফ্রিদীর করা এক ওভারে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি। তবে একই ওভারে থেমে যায় মুমিনুলের ইনিংস—৫৬ রানে আউট হন তিনি। তৃতীয় উইকেটে শান্তর সঙ্গে ১০০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে যান তিনি।

দিনের শেষ দিকে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে আরেকটি কার্যকর জুটি গড়েন শান্ত। দিন শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক অপরাজিত থাকেন ৫৮ রানে, মুশফিক ১৬ রানে ব্যাট করছিলেন। দিনের শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫২, প্রথম ইনিংসের ২৭ রানের লিড মিলিয়ে মোট লিড দাঁড়ায় ১৭৯ রানে।

মিরপুরের উইকেটের আচরণ এবং চতুর্থ ইনিংসের ইতিহাস বিবেচনায় এই লিড ম্যাচে পাকিস্তান টিমের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন পঞ্চম দিনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করিয়ে সফরকারীদের চাপে ফেলাই স্বাগতিকদের মূল লক্ষ্য। 


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত