জাতীয়
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করতে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানিয়েছেন, সম্ভাব্যতা যাচাই ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং এখন অর্থায়নসহ বিভিন্ন প্রাক্-প্রস্তুতি নিয়ে কাজ চলছে।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আজহার নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে আয়োজিত প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, গত ঈদযাত্রায় যেসব দুর্ভোগ ও ব্যত্যয় দেখা গিয়েছিল, সেগুলো এবার আগেভাগেই চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে দীর্ঘ যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা কতদূর—এমন প্রশ্নে সেতুমন্ত্রী জানান, এ প্রকল্পের জন্য তিনটি সম্ভাব্য প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুট অন্যতম অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
তিনি বলেন, “দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ফিজিবিলিটি স্টাডি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন অর্থায়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।”
বর্তমান পদ্মা সেতু চালুর পর দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরার মধ্যে নির্মিত এই সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। দুই প্রান্তের ভায়াডাক্টসহ পুরো প্রকল্পের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার।
৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত দেশের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করা হয় ২০২২ সালে। এরপর থেকে রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ অনেক সহজ হয়েছে। তবে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে এখনো ফেরিনির্ভর যাতায়াতের কারণে দীর্ঘ ভোগান্তি ও যানজটের চিত্র প্রায়ই দেখা যায়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়িত হলে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে নতুন গতি আসবে। একই সঙ্গে ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবকেন্দ্রিক যাত্রাপথের চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করতে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানিয়েছেন, সম্ভাব্যতা যাচাই ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং এখন অর্থায়নসহ বিভিন্ন প্রাক্-প্রস্তুতি নিয়ে কাজ চলছে।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আজহার নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে আয়োজিত প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, গত ঈদযাত্রায় যেসব দুর্ভোগ ও ব্যত্যয় দেখা গিয়েছিল, সেগুলো এবার আগেভাগেই চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে দীর্ঘ যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা কতদূর—এমন প্রশ্নে সেতুমন্ত্রী জানান, এ প্রকল্পের জন্য তিনটি সম্ভাব্য প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুট অন্যতম অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
তিনি বলেন, “দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ফিজিবিলিটি স্টাডি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন অর্থায়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।”
বর্তমান পদ্মা সেতু চালুর পর দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরার মধ্যে নির্মিত এই সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। দুই প্রান্তের ভায়াডাক্টসহ পুরো প্রকল্পের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার।
৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত দেশের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করা হয় ২০২২ সালে। এরপর থেকে রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ অনেক সহজ হয়েছে। তবে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে এখনো ফেরিনির্ভর যাতায়াতের কারণে দীর্ঘ ভোগান্তি ও যানজটের চিত্র প্রায়ই দেখা যায়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়িত হলে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে নতুন গতি আসবে। একই সঙ্গে ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবকেন্দ্রিক যাত্রাপথের চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।
2.png)