খেলা
ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কেন বাংলাদেশ দল খেলেনি? দেশের ক্রিকেট অনুরাগী থেকে শুরু করে খোদ নীতিনির্ধারকদের মনেও এই একটিই প্রশ্ন। এই ‘কেন’-র উত্তর খুঁজতেই এবার নড়েচড়ে বসেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের বিশেষ নির্দেশনায় গঠিত হয়েছে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি, যাদের মূল কাজ হবে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা।
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব অংগ্যজাই মারমার সই করা এক দাপ্তরিক আদেশে এই কমিটির ঘোষণা আসে। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. এ কে এম অলি উল্ল্যাকে এই গুরুদায়িত্ব পালনে কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে জাতীয় দলের সাবেক সফল অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবির প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন এবং সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও ক্রীড়া সংগঠক ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীরকে। অভিজ্ঞতার এই সমন্বয় থেকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ একটি বিশ্লেষণ প্রত্যাশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
তদন্ত কমিটিকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের টেবিলে জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কমিটির প্রধান কাজ হবে—তৎকালীন বিশেষ পরিস্থিতিতে কেন বিসিবি দল পাঠাতে পারল না এবং এর পেছনে নীতিগত বা কৌশলগত কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা।
উল্লেখ্য, গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঠ সরগরম থাকলেও দর্শকসারিতে ছিল বাংলাদেশ। আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাতিলের পর নিরাপত্তার অজুহাতে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার ভারতকে এড়িয়ে চলে। বিসিবি তখন আইসিসির কাছে তাদের ম্যাচগুলো বিকল্প ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার জোরালো দাবি জানালেও বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা তাতে সায় দেয়নি। এই রশি টানাটানির শেষ পরিণতি ছিল বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি, যা দেশের ক্রিকেটের জন্য এক নজিরবিহীন ঘটনা।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কেন বাংলাদেশ দল খেলেনি? দেশের ক্রিকেট অনুরাগী থেকে শুরু করে খোদ নীতিনির্ধারকদের মনেও এই একটিই প্রশ্ন। এই ‘কেন’-র উত্তর খুঁজতেই এবার নড়েচড়ে বসেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের বিশেষ নির্দেশনায় গঠিত হয়েছে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি, যাদের মূল কাজ হবে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা।
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব অংগ্যজাই মারমার সই করা এক দাপ্তরিক আদেশে এই কমিটির ঘোষণা আসে। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. এ কে এম অলি উল্ল্যাকে এই গুরুদায়িত্ব পালনে কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে জাতীয় দলের সাবেক সফল অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবির প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন এবং সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও ক্রীড়া সংগঠক ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীরকে। অভিজ্ঞতার এই সমন্বয় থেকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ একটি বিশ্লেষণ প্রত্যাশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
তদন্ত কমিটিকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের টেবিলে জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কমিটির প্রধান কাজ হবে—তৎকালীন বিশেষ পরিস্থিতিতে কেন বিসিবি দল পাঠাতে পারল না এবং এর পেছনে নীতিগত বা কৌশলগত কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা।
উল্লেখ্য, গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঠ সরগরম থাকলেও দর্শকসারিতে ছিল বাংলাদেশ। আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাতিলের পর নিরাপত্তার অজুহাতে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার ভারতকে এড়িয়ে চলে। বিসিবি তখন আইসিসির কাছে তাদের ম্যাচগুলো বিকল্প ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার জোরালো দাবি জানালেও বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা তাতে সায় দেয়নি। এই রশি টানাটানির শেষ পরিণতি ছিল বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি, যা দেশের ক্রিকেটের জন্য এক নজিরবিহীন ঘটনা।
2.png)