জাতীয়
রাষ্ট্রের কোনো স্বৈরাচারী শক্তি যেন আর কখনো পুলিশকে জনগণের স্বাধীনতা ও অধিকারবিরোধী কাজে ব্যবহার করতে না পারে।
রোববারের এই আয়োজনে পুলিশের বর্ণিল প্যারেড উপভোগের পর তিনি বলেন, এটি নিছক আনুষ্ঠানিক কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং পুলিশের শৃঙ্খলা, আত্মমর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং ভবিষ্যতের দিকে দৃপ্ত অগ্রযাত্রার প্রতীক।
রাজারবাগের মাটিকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন,
স্বাধীনতার প্রথম প্রহরে এই স্থান পুলিশের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। সেই ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে নতুন করে শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমানের ভাষায়, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন, নিপীড়ন আর রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমান সরকারের মাধ্যমে। বহু বছর ধরে হামলা-মামলা, দমন-পীড়ন আর অধিকারহীনতার মধ্যে থাকা মানুষ এখন শান্তি ও নিরাপত্তা চায়। আর সেই প্রত্যাশার বড় অংশ নির্ভর করছে পুলিশের ভূমিকার ওপর।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে কাজ করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সরকারের প্রত্যাশাও সেখানেই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রমাণ করেছে—বাংলাদেশ পুলিশ চাইলে দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। দেশের ভেতরে যেমন, তেমনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও বাংলাদেশ পুলিশের সুনাম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার রক্ষা ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যদের অবদান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী পুলিশ সদস্যদের ভূমিকাও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হয়েছে। তবে শুধু বিদেশে নয়, দেশের মানুষের সঙ্গেও পুলিশের মানবিক আচরণ প্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, চট্টগ্রামে মেজর জিয়ার ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণা এবং ঢাকায় রাজারবাগ পুলিশের মরণপণ প্রতিরোধ—এই দুই ঘটনা স্বাধীনতাকামী মানুষকে চূড়ান্ত লড়াইয়ে এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছিল।
তবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এখনো কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মার্চে যখন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে হাজার হাজার সৈন্য ঢাকায় আনা হচ্ছিল, তখন সব পুলিশ সদস্যকে একসঙ্গে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে জড়ো করে রাখার সিদ্ধান্তের পেছনে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের কী কৌশল ছিল—সেটিকে তিনি গবেষণার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।
তার বক্তব্যে ইতিহাস, রাজনীতি এবং রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ভূমিকা—তিনটি বিষয়ই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। বিশেষ করে পুলিশকে তিনি জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
রাষ্ট্রের কোনো স্বৈরাচারী শক্তি যেন আর কখনো পুলিশকে জনগণের স্বাধীনতা ও অধিকারবিরোধী কাজে ব্যবহার করতে না পারে।
রোববারের এই আয়োজনে পুলিশের বর্ণিল প্যারেড উপভোগের পর তিনি বলেন, এটি নিছক আনুষ্ঠানিক কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং পুলিশের শৃঙ্খলা, আত্মমর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং ভবিষ্যতের দিকে দৃপ্ত অগ্রযাত্রার প্রতীক।
রাজারবাগের মাটিকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন,
স্বাধীনতার প্রথম প্রহরে এই স্থান পুলিশের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। সেই ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে নতুন করে শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমানের ভাষায়, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন, নিপীড়ন আর রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমান সরকারের মাধ্যমে। বহু বছর ধরে হামলা-মামলা, দমন-পীড়ন আর অধিকারহীনতার মধ্যে থাকা মানুষ এখন শান্তি ও নিরাপত্তা চায়। আর সেই প্রত্যাশার বড় অংশ নির্ভর করছে পুলিশের ভূমিকার ওপর।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে কাজ করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সরকারের প্রত্যাশাও সেখানেই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রমাণ করেছে—বাংলাদেশ পুলিশ চাইলে দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। দেশের ভেতরে যেমন, তেমনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও বাংলাদেশ পুলিশের সুনাম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার রক্ষা ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যদের অবদান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী পুলিশ সদস্যদের ভূমিকাও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হয়েছে। তবে শুধু বিদেশে নয়, দেশের মানুষের সঙ্গেও পুলিশের মানবিক আচরণ প্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, চট্টগ্রামে মেজর জিয়ার ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণা এবং ঢাকায় রাজারবাগ পুলিশের মরণপণ প্রতিরোধ—এই দুই ঘটনা স্বাধীনতাকামী মানুষকে চূড়ান্ত লড়াইয়ে এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছিল।
তবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এখনো কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মার্চে যখন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে হাজার হাজার সৈন্য ঢাকায় আনা হচ্ছিল, তখন সব পুলিশ সদস্যকে একসঙ্গে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে জড়ো করে রাখার সিদ্ধান্তের পেছনে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের কী কৌশল ছিল—সেটিকে তিনি গবেষণার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।
তার বক্তব্যে ইতিহাস, রাজনীতি এবং রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ভূমিকা—তিনটি বিষয়ই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। বিশেষ করে পুলিশকে তিনি জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
2.png)