রাজনীতি
বাংলাদেশের জন্ম রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস ত্যাগের আর সাহসের মহাকাব্য। কিন্তু স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় পরেও যখন দেশের সেনাপ্রধানকে বলতে শুনি, "শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন করা অসম্ভব," তখন আমাদের মনে একটি নীরব দীর্ঘশ্বাস জাগে। এই মন্তব্যটি শুধু একটি সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি নয়, এটি আমাদের জাতীয় অস্তিত্বের এক কঠিন বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তোলে। আমাদের তিন দিক থেকে বেষ্টিত প্রতিবেশী দেশের ভৌগোলিক অবয়ব আমাদের সবসময় এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগায়। এই নিরাপত্তাহীনতা শুধু সামরিক নয়, এটি আমাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং মানবিক নিরাপত্তাকেও প্রভাবিত করে।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেন একটি 'নিশ্ছিদ্র প্রতিরক্ষা বলয়' গড়ে তুলতে পারেনি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমরা একটি তথাকথিত 'অদৃশ্য দেয়াল'-এর মুখোমুখি হই। অনেকে মনে করেন, এই দেয়ালটি প্রতিবেশী দেশের অতি-হস্তক্ষেপ এবং আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ফসল। অভিযোগ রয়েছে যে, ক্ষমতার পালাবদল এবং সরকার গঠনে প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রভাব অনস্বীকার্য। যখনই প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার বা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখনই এই অদৃশ্য শক্তি তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। যেন বাংলাদেশ সামরিকভাবে স্বয়ংসর্ম্পূর্ণ হয়ে উঠুক, তা কেউ চায় না। এই শঠতার শিকার শুধু সেনাবাহিনীর নয়, সমগ্র দেশের ১৬ কোটি মানুষ।
প্রতিরক্ষা এবং পররাষ্ট্রনীতির মধ্যে গভীর সম্পর্কের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহু উদাহরণ রয়েছে। অনেক দেশই একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমেই তাদের সফল পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ কোরিয়ার কথা বলা যেতে পারে। উত্তর কোরিয়ার সাথে দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের কারণে তারা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। এই প্রতিরক্ষা শক্তি তাদের শুধু আত্মরক্ষাই নিশ্চিত করেনি, বরং তাদের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে এবং তাদের পররাষ্ট্রনীতিকে কার্যকর করতে সহায়তা করেছে।
অন্যদিকে, এমন উদাহরণও রয়েছে যেখানে প্রতিরক্ষা অবহেলার কারণে একটি দেশ তার সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলেছে। ইউক্রেনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এই বিষয়ের একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। শীতল যুদ্ধের পর তারা তাদের পারমাণবিক অস্ত্র পরিত্যাগ করেছিল, যা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার আগ্রাসনের শিকার হয়ে তারা বুঝতে পেরেছে যে, একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প নেই।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এই একই বাস্তবতার প্রতিফলন দেখা যায়। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অপরিহার্য। কিন্তু বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক কারণ, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশের কথিত প্রভাবের কারণে এই ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে আছি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় ঐকমত্যের অভাব, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং রাজনৈতিক স্বার্থকে জাতীয় স্বার্থের ওপরে প্রাধান্য দেওয়া আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে রেখেছে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য একটি বাস্তবসম্মত এবং কার্যকর নীতি প্রণয়ন আবশ্যক। নিচে কিছু পদক্ষেপ প্রস্তাব করা হলো:
১. জাতীয় ঐকমত্য: জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা নীতি বিষয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে। ক্ষমতার পালাবদল হলেও যেন প্রতিরক্ষা নীতি বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন বাধাগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
২. রাজনৈতিক সদিচ্ছা: রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে একটি স্বাধীন ও জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকা আবশ্যক। প্রতিবেশী দেশের প্রতি নতজানু নীতি পরিহার করে দেশের স্বার্থে একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য কাজ করতে হবে।
৩. প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন: যুগের সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত করতে হবে। সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক সরঞ্জাম প্রদান করতে হবে।
৪. স্বতন্ত্র নীতি-নির্ধারণ: দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো বিদেশী শক্তির প্রভাব যেন না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং সরকার গঠনে যেকোনো ধরনের বৈদেশিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
৫. জনগণ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশ্বাস বৃদ্ধি: জনগণ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশ্বাস ও আস্থা বৃদ্ধি করতে হবে। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং তাদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন প্রজন্ম সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবিতে স্লোগান দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের মাঝে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা তীব্র হচ্ছে। একটি স্বাধীন নির্বাচন ব্যবস্থা এবং এমন একটি সরকার চায় যারা বিদেশী শক্তির কাছে মাথা নত করবে না এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপস করবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সেনাবাহিনী এবং জনগণ—সবাইকে একসাথে কাজ করে একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায়, আমরা সবসময় একটি 'অদৃশ্য দেয়াল' বা 'দাবার খেলার' অংশ হয়ে থাকব।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের জন্ম রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস ত্যাগের আর সাহসের মহাকাব্য। কিন্তু স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় পরেও যখন দেশের সেনাপ্রধানকে বলতে শুনি, "শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন করা অসম্ভব," তখন আমাদের মনে একটি নীরব দীর্ঘশ্বাস জাগে। এই মন্তব্যটি শুধু একটি সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি নয়, এটি আমাদের জাতীয় অস্তিত্বের এক কঠিন বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তোলে। আমাদের তিন দিক থেকে বেষ্টিত প্রতিবেশী দেশের ভৌগোলিক অবয়ব আমাদের সবসময় এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগায়। এই নিরাপত্তাহীনতা শুধু সামরিক নয়, এটি আমাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং মানবিক নিরাপত্তাকেও প্রভাবিত করে।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেন একটি 'নিশ্ছিদ্র প্রতিরক্ষা বলয়' গড়ে তুলতে পারেনি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমরা একটি তথাকথিত 'অদৃশ্য দেয়াল'-এর মুখোমুখি হই। অনেকে মনে করেন, এই দেয়ালটি প্রতিবেশী দেশের অতি-হস্তক্ষেপ এবং আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ফসল। অভিযোগ রয়েছে যে, ক্ষমতার পালাবদল এবং সরকার গঠনে প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রভাব অনস্বীকার্য। যখনই প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার বা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখনই এই অদৃশ্য শক্তি তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। যেন বাংলাদেশ সামরিকভাবে স্বয়ংসর্ম্পূর্ণ হয়ে উঠুক, তা কেউ চায় না। এই শঠতার শিকার শুধু সেনাবাহিনীর নয়, সমগ্র দেশের ১৬ কোটি মানুষ।
প্রতিরক্ষা এবং পররাষ্ট্রনীতির মধ্যে গভীর সম্পর্কের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহু উদাহরণ রয়েছে। অনেক দেশই একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমেই তাদের সফল পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ কোরিয়ার কথা বলা যেতে পারে। উত্তর কোরিয়ার সাথে দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের কারণে তারা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। এই প্রতিরক্ষা শক্তি তাদের শুধু আত্মরক্ষাই নিশ্চিত করেনি, বরং তাদের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে এবং তাদের পররাষ্ট্রনীতিকে কার্যকর করতে সহায়তা করেছে।
অন্যদিকে, এমন উদাহরণও রয়েছে যেখানে প্রতিরক্ষা অবহেলার কারণে একটি দেশ তার সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলেছে। ইউক্রেনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এই বিষয়ের একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। শীতল যুদ্ধের পর তারা তাদের পারমাণবিক অস্ত্র পরিত্যাগ করেছিল, যা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার আগ্রাসনের শিকার হয়ে তারা বুঝতে পেরেছে যে, একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প নেই।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এই একই বাস্তবতার প্রতিফলন দেখা যায়। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অপরিহার্য। কিন্তু বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক কারণ, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশের কথিত প্রভাবের কারণে এই ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে আছি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় ঐকমত্যের অভাব, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং রাজনৈতিক স্বার্থকে জাতীয় স্বার্থের ওপরে প্রাধান্য দেওয়া আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে রেখেছে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য একটি বাস্তবসম্মত এবং কার্যকর নীতি প্রণয়ন আবশ্যক। নিচে কিছু পদক্ষেপ প্রস্তাব করা হলো:
১. জাতীয় ঐকমত্য: জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা নীতি বিষয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে। ক্ষমতার পালাবদল হলেও যেন প্রতিরক্ষা নীতি বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন বাধাগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
২. রাজনৈতিক সদিচ্ছা: রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে একটি স্বাধীন ও জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকা আবশ্যক। প্রতিবেশী দেশের প্রতি নতজানু নীতি পরিহার করে দেশের স্বার্থে একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য কাজ করতে হবে।
৩. প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন: যুগের সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত করতে হবে। সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক সরঞ্জাম প্রদান করতে হবে।
৪. স্বতন্ত্র নীতি-নির্ধারণ: দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো বিদেশী শক্তির প্রভাব যেন না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং সরকার গঠনে যেকোনো ধরনের বৈদেশিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
৫. জনগণ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশ্বাস বৃদ্ধি: জনগণ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশ্বাস ও আস্থা বৃদ্ধি করতে হবে। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং তাদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন প্রজন্ম সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবিতে স্লোগান দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের মাঝে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা তীব্র হচ্ছে। একটি স্বাধীন নির্বাচন ব্যবস্থা এবং এমন একটি সরকার চায় যারা বিদেশী শক্তির কাছে মাথা নত করবে না এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপস করবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সেনাবাহিনী এবং জনগণ—সবাইকে একসাথে কাজ করে একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায়, আমরা সবসময় একটি 'অদৃশ্য দেয়াল' বা 'দাবার খেলার' অংশ হয়ে থাকব।
