আন্তর্জাতিক
বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেল ছাড়াও তাঁর স্ত্রী লিস কুয়েস্তা পেরাজা, প্রভাবশালী কাস্ত্রো পরিবারের দুজন সদস্য এবং দেশটির বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় রয়েছে। মূলত কিউবার কমিউনিস্ট নেতৃত্বকে চাপে রাখতে এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের প্রভাব বলয় বাড়ানোর কৌশল হিসেবেই এই ধারাবাহিক নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে বাইডেন প্রশাসন। ২০১৮ সালে রাউল কাস্ত্রোর কাছ থেকে ক্ষমতা বুঝে নেওয়া ৬৬ বছর বয়সী দিয়াজ-কানেলের বিরুদ্ধে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক আঘাত।
ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হাভানা। কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই নিষেধাজ্ঞাকে সরাসরি ‘নিন্দনীয়’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি একে মার্কিন আগ্রাসী নীতি ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, কৃত্রিমভাবে দ্বন্দ্ব জিইয়ে রাখার যে প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র চালাচ্ছে, তা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।
উল্লেখ্য, গত মাসে কিউবার তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী, সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানসহ ১১ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল হোয়াইট হাউজ। এর পাশাপাশি ১৯৯৬ সালের একটি বিমান হামলার ঘটনার সূত্র ধরে কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে নতুন করে হত্যার অভিযোগও তোলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে কিউবাকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করার মার্কিন তৎপরতার অংশ হিসেবেই এসব নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
2.png)
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেল ছাড়াও তাঁর স্ত্রী লিস কুয়েস্তা পেরাজা, প্রভাবশালী কাস্ত্রো পরিবারের দুজন সদস্য এবং দেশটির বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় রয়েছে। মূলত কিউবার কমিউনিস্ট নেতৃত্বকে চাপে রাখতে এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের প্রভাব বলয় বাড়ানোর কৌশল হিসেবেই এই ধারাবাহিক নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে বাইডেন প্রশাসন। ২০১৮ সালে রাউল কাস্ত্রোর কাছ থেকে ক্ষমতা বুঝে নেওয়া ৬৬ বছর বয়সী দিয়াজ-কানেলের বিরুদ্ধে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক আঘাত।
ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হাভানা। কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই নিষেধাজ্ঞাকে সরাসরি ‘নিন্দনীয়’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি একে মার্কিন আগ্রাসী নীতি ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, কৃত্রিমভাবে দ্বন্দ্ব জিইয়ে রাখার যে প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র চালাচ্ছে, তা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।
উল্লেখ্য, গত মাসে কিউবার তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী, সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানসহ ১১ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল হোয়াইট হাউজ। এর পাশাপাশি ১৯৯৬ সালের একটি বিমান হামলার ঘটনার সূত্র ধরে কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে নতুন করে হত্যার অভিযোগও তোলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে কিউবাকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করার মার্কিন তৎপরতার অংশ হিসেবেই এসব নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
2.png)