সোশ্যাল ট্রেন্ড
সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়ালে এখন স্মৃতির হাতছানি। কখনো জিবলি অ্যানিমেশন, আবার কখনো থ্রিডি ক্যারিকেচারের জোয়ার শেষে এবার নতুন করে মেতে ওঠার উপলক্ষ হয়ে এসেছে ‘ক্রেয়ন ড্রয়িং’ বা মোম পেন্সিলে আঁকা ছবি। নিজের প্রোফাইল ছবিটিকে ১০-১২ বছরের কোনো শিশুর আঁকা ছবির আদলে বদলে নেওয়াই এখনকার সবচেয়ে বড় ট্রেন্ড। রঙিন পেন্সিলের অগোছালো আঁচড় আর সারল্যে ভরা এই ছবিগুলো ইতোমধ্যেই ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এই নতুন ক্রেজ শুধু বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং পুরো এশিয়া জুড়েই এখন ক্রেয়ন স্টাইলের জয়জয়কার। এই জনপ্রিয়তার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো এর নস্টালজিয়া। সাদা কাগজে মোম পেন্সিলের সেই ছেলেবেলার আঁকিবুঁকি মানুষের মনে এক ধরনের আবেগঘন ও নিস্পাপ অনুভূতি তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক এআই প্রযুক্তির কল্যাণে এখন জটিল কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই চোখের পলকে এমন সৃজনশীল ছবি তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে বলেই এটি এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। প্যাস্টেল রঙের স্নিগ্ধতা আর স্কেচের স্বাভাবিক অগোছালো ভাব এই ছবিগুলোকে অন্য সব ফিল্টার থেকে আলাদা ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে এই ধারার জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে হাজার হাজার ব্যবহারকারী নিজেদের ফেসবুক প্রোফাইলের স্ক্রিনশট বা ব্যক্তিগত ছবিকে এই ‘কিউট’ লুকে রূপান্তর করে শেয়ার করছেন। মজার ব্যাপার হলো, এই ট্রেন্ডে অংশ নেওয়ার জন্য আপনার কোনো পেশাদার ডিজাইন দক্ষতার প্রয়োজন নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর কাছে আপনার চাওয়াটুকু সঠিকভাবে তুলে ধরলেই কেল্লাফতে।
আপনিও যদি এই ট্রেন্ডে গা ভাসাতে চান, তবে প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ। প্রথমে আপনার একটি পরিষ্কার ছবি বা ফেসবুক প্রোফাইলের স্ক্রিনশট নিন। এরপর চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)-এর মতো কোনো এআই টুলে সেটি আপলোড করে ছোট্ট একটি অনুরোধ বা প্রম্পট লিখুন। ইংরেজিতে চাইলে বলতে পারেন— "Please recreate this image in a cute crayon drawing style on a white paper, looking like it was drawn by a child with stars and flowers." আর বাংলায় লিখতে পারেন— "এই ছবিটিকে একটি শিশুর আঁকা ক্রেয়ন স্টাইলে রূপান্তর করো এবং চারপাশে ফুল ও মেঘের মতো কিউট উপাদান যোগ করো।"
ব্যাস, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার সেই চিরচেনা ছবিটি ফিরে যাবে সোনালি শৈশবে। কৃত্রিমতার এই যুগে মানুষের মনের ভেতর লুকিয়ে থাকা শিশুর মতো সহজ ও সুন্দর হওয়ার এই চেষ্টাটিই সম্ভবত ক্রেয়ন ড্রয়িং ট্রেন্ডকে এতটা জনপ্রিয় করে তুলেছে।
বিষয় : ক্রেয়ন ড্রয়িং ভাইরাল

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়ালে এখন স্মৃতির হাতছানি। কখনো জিবলি অ্যানিমেশন, আবার কখনো থ্রিডি ক্যারিকেচারের জোয়ার শেষে এবার নতুন করে মেতে ওঠার উপলক্ষ হয়ে এসেছে ‘ক্রেয়ন ড্রয়িং’ বা মোম পেন্সিলে আঁকা ছবি। নিজের প্রোফাইল ছবিটিকে ১০-১২ বছরের কোনো শিশুর আঁকা ছবির আদলে বদলে নেওয়াই এখনকার সবচেয়ে বড় ট্রেন্ড। রঙিন পেন্সিলের অগোছালো আঁচড় আর সারল্যে ভরা এই ছবিগুলো ইতোমধ্যেই ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এই নতুন ক্রেজ শুধু বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং পুরো এশিয়া জুড়েই এখন ক্রেয়ন স্টাইলের জয়জয়কার। এই জনপ্রিয়তার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো এর নস্টালজিয়া। সাদা কাগজে মোম পেন্সিলের সেই ছেলেবেলার আঁকিবুঁকি মানুষের মনে এক ধরনের আবেগঘন ও নিস্পাপ অনুভূতি তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক এআই প্রযুক্তির কল্যাণে এখন জটিল কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই চোখের পলকে এমন সৃজনশীল ছবি তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে বলেই এটি এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। প্যাস্টেল রঙের স্নিগ্ধতা আর স্কেচের স্বাভাবিক অগোছালো ভাব এই ছবিগুলোকে অন্য সব ফিল্টার থেকে আলাদা ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে এই ধারার জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে হাজার হাজার ব্যবহারকারী নিজেদের ফেসবুক প্রোফাইলের স্ক্রিনশট বা ব্যক্তিগত ছবিকে এই ‘কিউট’ লুকে রূপান্তর করে শেয়ার করছেন। মজার ব্যাপার হলো, এই ট্রেন্ডে অংশ নেওয়ার জন্য আপনার কোনো পেশাদার ডিজাইন দক্ষতার প্রয়োজন নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর কাছে আপনার চাওয়াটুকু সঠিকভাবে তুলে ধরলেই কেল্লাফতে।
আপনিও যদি এই ট্রেন্ডে গা ভাসাতে চান, তবে প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ। প্রথমে আপনার একটি পরিষ্কার ছবি বা ফেসবুক প্রোফাইলের স্ক্রিনশট নিন। এরপর চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)-এর মতো কোনো এআই টুলে সেটি আপলোড করে ছোট্ট একটি অনুরোধ বা প্রম্পট লিখুন। ইংরেজিতে চাইলে বলতে পারেন— "Please recreate this image in a cute crayon drawing style on a white paper, looking like it was drawn by a child with stars and flowers." আর বাংলায় লিখতে পারেন— "এই ছবিটিকে একটি শিশুর আঁকা ক্রেয়ন স্টাইলে রূপান্তর করো এবং চারপাশে ফুল ও মেঘের মতো কিউট উপাদান যোগ করো।"
ব্যাস, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার সেই চিরচেনা ছবিটি ফিরে যাবে সোনালি শৈশবে। কৃত্রিমতার এই যুগে মানুষের মনের ভেতর লুকিয়ে থাকা শিশুর মতো সহজ ও সুন্দর হওয়ার এই চেষ্টাটিই সম্ভবত ক্রেয়ন ড্রয়িং ট্রেন্ডকে এতটা জনপ্রিয় করে তুলেছে।
