আন্তর্জাতিক
কলকাতার আকাশ-বাতাস আজ এক বড় পরিবর্তনের সাক্ষী হতে চলেছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ শনিবার সকাল ১০টায় কলকাতার সেই ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একজনের শপথ নয়, বরং বাংলার রাজনীতিতে এক বিশাল শক্তির পালাবদল।
শপথগ্রহণের এই শুভক্ষণকে ঘিরে পুরো তিলোত্তমা এখন উৎসবের নগরী। শুক্রবার বিকালেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীকে পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিও। এরপরই শুভেন্দু অধিকারী রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল আর এন রবির কাছে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক দাবি জানান। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের মতো হাই-ভোল্টেজ আসনে অভাবনীয় জয়ের পর তার এই উত্থান আজ তাকে রাজ্যের সর্বোচ্চাসনে বসিয়ে দিচ্ছে।
আজকের এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে হাজির থাকছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সাথে থাকছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্ব। এছাড়া ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অন্তত ২০টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা এই অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কলকাতায় পা রেখেছেন। পুরো আয়োজনকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে সভাস্থল। প্রায় চার হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং ব্রিগেড মাঠকে ৩৫টি পৃথক সেক্টরে ভাগ করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
মঞ্চের সাজসজ্জাতেও ফুটে উঠেছে বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্য। বিশাল এক দুর্গামূর্তির ছায়াতলে শপথ নেবেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। পুরো চত্বর সাজানো হয়েছে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা প্রতিকৃতি দিয়ে। আর আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়নে থাকছে বাঙালির প্রাণের সব খাবার—ঝালমুড়ি থেকে শুরু করে কলকাতার রসগোল্লা আর সন্দেশ। সব মিলিয়ে আজকের এই অনুষ্ঠান কেবল রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এক রাজকীয় উৎসবে রূপ নিয়েছে। বাংলার সাধারণ মানুষের নজর এখন ব্রিগেডের সেই মঞ্চের দিকে, যেখান থেকে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে নতুন পথচলার অঙ্গীকার আসবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
কলকাতার আকাশ-বাতাস আজ এক বড় পরিবর্তনের সাক্ষী হতে চলেছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ শনিবার সকাল ১০টায় কলকাতার সেই ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একজনের শপথ নয়, বরং বাংলার রাজনীতিতে এক বিশাল শক্তির পালাবদল।
শপথগ্রহণের এই শুভক্ষণকে ঘিরে পুরো তিলোত্তমা এখন উৎসবের নগরী। শুক্রবার বিকালেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীকে পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিও। এরপরই শুভেন্দু অধিকারী রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল আর এন রবির কাছে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক দাবি জানান। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের মতো হাই-ভোল্টেজ আসনে অভাবনীয় জয়ের পর তার এই উত্থান আজ তাকে রাজ্যের সর্বোচ্চাসনে বসিয়ে দিচ্ছে।
আজকের এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে হাজির থাকছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সাথে থাকছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্ব। এছাড়া ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অন্তত ২০টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা এই অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কলকাতায় পা রেখেছেন। পুরো আয়োজনকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে সভাস্থল। প্রায় চার হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং ব্রিগেড মাঠকে ৩৫টি পৃথক সেক্টরে ভাগ করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
মঞ্চের সাজসজ্জাতেও ফুটে উঠেছে বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্য। বিশাল এক দুর্গামূর্তির ছায়াতলে শপথ নেবেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। পুরো চত্বর সাজানো হয়েছে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা প্রতিকৃতি দিয়ে। আর আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়নে থাকছে বাঙালির প্রাণের সব খাবার—ঝালমুড়ি থেকে শুরু করে কলকাতার রসগোল্লা আর সন্দেশ। সব মিলিয়ে আজকের এই অনুষ্ঠান কেবল রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এক রাজকীয় উৎসবে রূপ নিয়েছে। বাংলার সাধারণ মানুষের নজর এখন ব্রিগেডের সেই মঞ্চের দিকে, যেখান থেকে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে নতুন পথচলার অঙ্গীকার আসবে।
