রাজনীতি
নতুন এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে বহাল রয়েছেন আবদুল মোনায়েম (মুন্না) এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম (নয়ন)। আগের আংশিক কমিটিতেও তাঁরা একই দায়িত্বে ছিলেন। দলের বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ১৫১ সদস্যের এই কমিটিতে নতুন মুখের সংখ্যা মাত্র ২৬ জনের মতো, যা মোট সদস্যের প্রায় ১৭ শতাংশ। অর্থাৎ, ৮৩ শতাংশই আগের কমিটির ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছেন। স্বভাবতই, এমন সমীকরণে সংগঠনের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতারা অনেকটা কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পদবঞ্চিতদের মধ্যে এ নিয়ে চাপা ক্ষোভের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।
কমিটির কাঠামো বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার একটি বড়সড় আকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৯ জন সহসভাপতি এবং ২৯ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মতো পদ রাখা হয়েছে। জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হিসেবে রেজাউল কবীর (পল) এবং সাংগঠনিক সম্পাদকের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কামরুজ্জামান জুয়েলকে। এছাড়া ২৩ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক, ১২ জন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ৫ জন আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং ১১ জন সদস্য রয়েছেন। সদস্যদের মধ্যে আবার ৫ জনকে সহ-সাধারণ সম্পাদকের পদমর্যাদা দিয়ে এক ধরনের ভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। প্রচার সম্পাদক হিসেবে ছাত্রদলের সাবেক নেতা আল মেহেদী তালুকদার এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রোকনুজ্জামান রোকনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৯ জুলাই ছয় সদস্যের একটি আংশিক কমিটি দিয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। সে সময় থেকেই মুন্না ও নয়ন নেতৃত্বের মূল দায়িত্বে ছিলেন। এবার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখল বিএনপি হাইকম্যান্ড। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামনে কঠিন কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্য থেকেই সম্ভবত পুরোনোদের ওপরই বেশি আস্থা রেখেছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে মাঠপর্যায়ে যারা এতদিন ধরে নানা দমন-পীড়নের মধ্যেও সংগঠনের হাল ধরেছিলেন, তাদের বড় অংশকে জায়গা না দেওয়াটা আগামী দিনের রাজনীতিতে নতুন কোনো জটিলতার সৃষ্টি করে কি না—সেটাই এখন দেখার বিষয়।
2.png)
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
নতুন এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে বহাল রয়েছেন আবদুল মোনায়েম (মুন্না) এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম (নয়ন)। আগের আংশিক কমিটিতেও তাঁরা একই দায়িত্বে ছিলেন। দলের বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ১৫১ সদস্যের এই কমিটিতে নতুন মুখের সংখ্যা মাত্র ২৬ জনের মতো, যা মোট সদস্যের প্রায় ১৭ শতাংশ। অর্থাৎ, ৮৩ শতাংশই আগের কমিটির ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছেন। স্বভাবতই, এমন সমীকরণে সংগঠনের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতারা অনেকটা কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পদবঞ্চিতদের মধ্যে এ নিয়ে চাপা ক্ষোভের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।
কমিটির কাঠামো বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার একটি বড়সড় আকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৯ জন সহসভাপতি এবং ২৯ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মতো পদ রাখা হয়েছে। জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হিসেবে রেজাউল কবীর (পল) এবং সাংগঠনিক সম্পাদকের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কামরুজ্জামান জুয়েলকে। এছাড়া ২৩ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক, ১২ জন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ৫ জন আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং ১১ জন সদস্য রয়েছেন। সদস্যদের মধ্যে আবার ৫ জনকে সহ-সাধারণ সম্পাদকের পদমর্যাদা দিয়ে এক ধরনের ভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। প্রচার সম্পাদক হিসেবে ছাত্রদলের সাবেক নেতা আল মেহেদী তালুকদার এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রোকনুজ্জামান রোকনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৯ জুলাই ছয় সদস্যের একটি আংশিক কমিটি দিয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। সে সময় থেকেই মুন্না ও নয়ন নেতৃত্বের মূল দায়িত্বে ছিলেন। এবার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখল বিএনপি হাইকম্যান্ড। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামনে কঠিন কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্য থেকেই সম্ভবত পুরোনোদের ওপরই বেশি আস্থা রেখেছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে মাঠপর্যায়ে যারা এতদিন ধরে নানা দমন-পীড়নের মধ্যেও সংগঠনের হাল ধরেছিলেন, তাদের বড় অংশকে জায়গা না দেওয়াটা আগামী দিনের রাজনীতিতে নতুন কোনো জটিলতার সৃষ্টি করে কি না—সেটাই এখন দেখার বিষয়।
2.png)