বল দখলে একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রেখেও জয়ের দেখা পেল না লা রোহা। ইস্পাতকঠিন রক্ষণ আর পাল্টা আক্রমণে ইউরোপীয় পরাশক্তিকে রুখে দিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিল ইরাক।
ইউরোপের মাটিতে স্পেনের মতো পরাশক্তির বিপক্ষে নামা মানেই ছিল কঠিন অগ্নিপরীক্ষা। কিন্তু বিশ্বকাপের আগে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়ে সেই পরীক্ষাতেই সফল হলো ইরাক। বৃহস্পতিবার রাতে স্পেনের নিজস্ব মাঠে গিয়ে ১-১ গোলের সমতায় ম্যাচ শেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দলটি রীতিমতো চমকে দিয়েছে ফুটবল বিশ্বকে। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিংবা আক্রমণের ধার—সবই ছিল স্বাগতিকদের পক্ষে, কিন্তু দিনের শেষে ইরাকের জমাটবদ্ধ রক্ষণ আর কার্যকর পাল্টা আক্রমণের সামনে কপাল পুড়েছে স্প্যানিশদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও পজিশনাল ফুটবলে দাপট দেখিয়েছে লুইস এনরিকের শিষ্যরা। প্রথমার্ধের ১৬ মিনিটে দানি ওলমোর নিখুঁত পাস থেকে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে এগিয়ে দেন ফেররান তোরেস। ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে এমন শুরুর পর সবাই যখন স্বাগতিকদের বড় জয়ের পূর্বাভাস পাচ্ছিলেন, তখনই দৃশ্যপটে ইরাক। গোল হজমের মাত্র ১১ মিনিটের মাথায় আকাম হাসিমের বাড়ানো বল থেকে দারুণ দক্ষতায় সমতা ফেরান মেরকাস দোস্কি। ইরাকের জন্য এটি ছিল বলতে গেলে শাপে বর—প্রথমার্ধে পাওয়া হাতে গোনা সুযোগগুলোর একটিকে তারা পরিণত করেছে স্বস্তির এক গোলে
দ্বিতীয়ার্ধে জয়ের তৃষ্ণায় মরিয়া স্পেন একের পর এক আক্রমণ সাজালেও গোলমুখের তালা খুলতে পারেনি। পুরো ম্যাচে ৬৩ শতাংশ সময় বল দখলে রাখা স্প্যানিশরা গোলপোস্ট লক্ষ্য করে ১৮টি শট নিলেও ইরাকের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় বারবার হোঁচট খেয়েছেন ফেররান তোরেসরা। বিপরীতে মাত্র ৩৭ শতাংশ বল দখলে রাখা ইরাক খুব কম সুযোগ পেয়েও যেভাবে ম্যাচটি ড্র করেছে, তা নিঃসন্দেহে তাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞের আগে স্পেনের জন্য এটি যেমন একটি সতর্কবার্তা, ইরাকের জন্য ঠিক তেমনি মনোবল চাঙ্গা করার মতো এক অর্জন।
2.png)
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
বল দখলে একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রেখেও জয়ের দেখা পেল না লা রোহা। ইস্পাতকঠিন রক্ষণ আর পাল্টা আক্রমণে ইউরোপীয় পরাশক্তিকে রুখে দিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিল ইরাক।
ইউরোপের মাটিতে স্পেনের মতো পরাশক্তির বিপক্ষে নামা মানেই ছিল কঠিন অগ্নিপরীক্ষা। কিন্তু বিশ্বকাপের আগে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়ে সেই পরীক্ষাতেই সফল হলো ইরাক। বৃহস্পতিবার রাতে স্পেনের নিজস্ব মাঠে গিয়ে ১-১ গোলের সমতায় ম্যাচ শেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দলটি রীতিমতো চমকে দিয়েছে ফুটবল বিশ্বকে। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিংবা আক্রমণের ধার—সবই ছিল স্বাগতিকদের পক্ষে, কিন্তু দিনের শেষে ইরাকের জমাটবদ্ধ রক্ষণ আর কার্যকর পাল্টা আক্রমণের সামনে কপাল পুড়েছে স্প্যানিশদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও পজিশনাল ফুটবলে দাপট দেখিয়েছে লুইস এনরিকের শিষ্যরা। প্রথমার্ধের ১৬ মিনিটে দানি ওলমোর নিখুঁত পাস থেকে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে এগিয়ে দেন ফেররান তোরেস। ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে এমন শুরুর পর সবাই যখন স্বাগতিকদের বড় জয়ের পূর্বাভাস পাচ্ছিলেন, তখনই দৃশ্যপটে ইরাক। গোল হজমের মাত্র ১১ মিনিটের মাথায় আকাম হাসিমের বাড়ানো বল থেকে দারুণ দক্ষতায় সমতা ফেরান মেরকাস দোস্কি। ইরাকের জন্য এটি ছিল বলতে গেলে শাপে বর—প্রথমার্ধে পাওয়া হাতে গোনা সুযোগগুলোর একটিকে তারা পরিণত করেছে স্বস্তির এক গোলে
দ্বিতীয়ার্ধে জয়ের তৃষ্ণায় মরিয়া স্পেন একের পর এক আক্রমণ সাজালেও গোলমুখের তালা খুলতে পারেনি। পুরো ম্যাচে ৬৩ শতাংশ সময় বল দখলে রাখা স্প্যানিশরা গোলপোস্ট লক্ষ্য করে ১৮টি শট নিলেও ইরাকের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় বারবার হোঁচট খেয়েছেন ফেররান তোরেসরা। বিপরীতে মাত্র ৩৭ শতাংশ বল দখলে রাখা ইরাক খুব কম সুযোগ পেয়েও যেভাবে ম্যাচটি ড্র করেছে, তা নিঃসন্দেহে তাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞের আগে স্পেনের জন্য এটি যেমন একটি সতর্কবার্তা, ইরাকের জন্য ঠিক তেমনি মনোবল চাঙ্গা করার মতো এক অর্জন।
2.png)