আন্তর্জাতিক
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ইরান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
তিনি বলেন, ইসলামাবাদ সফরের মূল উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা নয়। বরং পাকিস্তানের কাছে ইরানের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হবে, যাতে চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগে তা বিবেচনায় নেওয়া যায়।
এরই মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। সফরকালে তিনি পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। এই বৈঠকগুলো মূলত অঞ্চলের চলমান উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতামূলক প্রচেষ্টার অংশ।
ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া সংঘাত বন্ধ করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এই আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক এড়িয়ে গেলেও পাকিস্তানের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটাতে নতুন পথ তৈরি করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, এই পরোক্ষ যোগাযোগ কতটা কার্যকর হয় এবং তা আঞ্চলিক শান্তি প্রক্রিয়ায় কতটা প্রভাব ফেলে।
বিষয় : ইরান আলোচনা যুদ্ধ বিরতি

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ইরান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
তিনি বলেন, ইসলামাবাদ সফরের মূল উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা নয়। বরং পাকিস্তানের কাছে ইরানের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হবে, যাতে চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগে তা বিবেচনায় নেওয়া যায়।
এরই মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। সফরকালে তিনি পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। এই বৈঠকগুলো মূলত অঞ্চলের চলমান উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতামূলক প্রচেষ্টার অংশ।
ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া সংঘাত বন্ধ করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এই আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক এড়িয়ে গেলেও পাকিস্তানের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটাতে নতুন পথ তৈরি করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, এই পরোক্ষ যোগাযোগ কতটা কার্যকর হয় এবং তা আঞ্চলিক শান্তি প্রক্রিয়ায় কতটা প্রভাব ফেলে।
