আন্তর্জাতিক
মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন করে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। ইরানের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে পৌঁছানোর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ায় কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। এতে করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার জোরালো ইঙ্গিত মিলছে।
এই প্রেক্ষাপটে বার্তা সংস্থ র্রয়টার্স-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরান এমন একটি প্রস্তাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্তগুলো পূরণ করতে পারে। টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইরান একটি প্রস্তাব দিচ্ছে—এখন দেখার বিষয় সেটি কেমন হয়।” তবে প্রস্তাবের বিস্তারিত বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলেও উল্লেখ করেন।
শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে থাকা ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে, যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে ইরানকে তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করাও যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্তগুলোর একটি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই শর্ত পূরণ হলেই কেবল আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হবে। কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তারাও দাবি করেন, ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভেতরে বিভাজন রয়েছে। শুক্রবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে “যারা ক্ষমতায় আছে”, তাদের সঙ্গেই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে—যদিও নির্দিষ্ট কারো নাম তিনি উল্লেখ করেননি।
সব মিলিয়ে, উত্তপ্ত এই পরিস্থিতিতে ইরানের সম্ভাব্য নতুন প্রস্তাব এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কূটনৈতিক এই উদ্যোগ আদৌ শান্তির পথে অগ্রসর হবে কিনা—সেটিই এখন দেখার বিষয়।
বিষয় : মধ্যপ্রাচ্য সংকট ডোনাল্ড ট্রাম্প

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন করে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। ইরানের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে পৌঁছানোর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ায় কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। এতে করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার জোরালো ইঙ্গিত মিলছে।
এই প্রেক্ষাপটে বার্তা সংস্থ র্রয়টার্স-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরান এমন একটি প্রস্তাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্তগুলো পূরণ করতে পারে। টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইরান একটি প্রস্তাব দিচ্ছে—এখন দেখার বিষয় সেটি কেমন হয়।” তবে প্রস্তাবের বিস্তারিত বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলেও উল্লেখ করেন।
শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে থাকা ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে, যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে ইরানকে তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করাও যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্তগুলোর একটি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই শর্ত পূরণ হলেই কেবল আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হবে। কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তারাও দাবি করেন, ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভেতরে বিভাজন রয়েছে। শুক্রবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে “যারা ক্ষমতায় আছে”, তাদের সঙ্গেই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে—যদিও নির্দিষ্ট কারো নাম তিনি উল্লেখ করেননি।
সব মিলিয়ে, উত্তপ্ত এই পরিস্থিতিতে ইরানের সম্ভাব্য নতুন প্রস্তাব এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কূটনৈতিক এই উদ্যোগ আদৌ শান্তির পথে অগ্রসর হবে কিনা—সেটিই এখন দেখার বিষয়।
